৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ইউরোপের অন্যতম জনপ্রিয় দেশ ইতালি তাদের শ্রমবাজারের ঘাটতি মেটাতে বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশ থেকে ১ লাখ ৬৫ হাজার কর্মী নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির ‘ফ্লো ডিক্রি’ বা ‘স্লুচি আইন’ অনুযায়ী অনলাইনে এই কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। আগ্রহীদের ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে নিয়মমাফিক আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ইতালির শ্রমবাজারে বিভিন্ন খাতের ঘাটতি পূরণে মোট ১ লাখ ৬৫ হাজার কর্মী নিয়োগের বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে।
- বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কিছু দেশের প্রার্থীরা ইতালির ‘ফ্লো ডিক্রি’ বা ‘স্লুচি আইন’ অনুযায়ী কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
- আবেদনকারীদের ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে পাসপোর্টের কপি ও চাকরির প্রস্তাবসহ অন্যান্য বৈধ কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ইউরোপের অন্যতম জনপ্রিয় দেশ ইতালি কাজের উদ্দেশ্যে যাওয়ার এক সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে। দেশটির শ্রমবাজারে চলমান বিভিন্ন খাতের ঘাটতি মেটাতে এবার ১ লাখ ৬৫ হাজার কর্মী নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই ঐতিহাসিক সুযোগের আওতায় বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কিছু দেশের প্রার্থীরাও আবেদন করার বড় সুযোগ পাচ্ছেন। ইতালির এই বিশাল কর্মসংস্থান প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে আগ্রহীদের দেশটির নির্ধারিত নিয়ম ও নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
সাধারণত ইতালিতে বৈধ উপায়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে দেশটির ‘ফ্লো ডিক্রি’ বা ‘স্লুচি আইনে’ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়। আবেদন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার পর অনুমোদিত পোর্টালের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, যেমন—পাসপোর্টের মূল কপি, কাজের চুক্তিনামা বা চাকরির প্রস্তাব এবং অন্যান্য বৈধ নথিপত্র ডিজিটাল মাধ্যমে জমা দিতে হয়। সঠিক নিয়মে আবেদন সম্পন্ন করার জন্য ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল পোর্টাল বা অনুমোদিত কর্তৃপক্ষের দেওয়া নির্দেশিকা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
বাংলাদেশ থেকে যারা বৈধ উপায়ে ইউরোপের এই দেশটিতে পাড়ি জমাতে চান, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মবহির্ভূত মাধ্যম বা দালালের চক্র এড়িয়ে সরাসরি সরকারি ও অনুমোদিত চ্যানেলের মাধ্যমে আবেদন করলে প্রতারণার ঝুঁকি থাকে না এবং ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।
ইতালির এই শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়ার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং বৈদেশিক রেমিট্যান্স প্রবাহে এর একটি সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। দক্ষ ও অর্ধদক্ষ কর্মীরা সঠিক প্রক্রিয়ায় দেশটিতে প্রবেশ করতে পারলে দেশের বেকারত্ব হ্রাসের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও সুদৃঢ় হবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক যুগান্তর-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।