যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, তিনি ২৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্ভাব্য যুদ্ধ থামিয়েছিলেন। পেনসিলভেনিয়ায় এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প এই দাবি করেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এত বড় একটি সংঘাত থামানোর পরও তাকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি। আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এই মন্তব্য নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- পেনসিলভেনিয়ার সমাবেশে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন যে, তিনি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার যুদ্ধ ২৫০ শতাংশ শুল্কের হুমকি দিয়ে থামিয়েছিলেন।
- ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিশ্বজুড়ে বড় বড় সংঘাত থামানোর পরও তাকে আন্তর্জাতিক শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি।
- আমেরিকান রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা ট্রাম্পের এই শুল্ক কূটনীতি এবং নোবেল পুরস্কার না পাওয়ার আক্ষেপের বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু করেছেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন যে, তার কঠোর অর্থনৈতিক চাপের মুখে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার তীব্র সামরিক সংঘাত এড়ানো সম্ভব হয়েছিল। পেনসিলভেনিয়ার একটি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। ট্রাম্প বলেন, তিনি দুই দেশের ওপর ২৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর হুমকি দিয়েছিলেন, যা কাজ করেছিল এবং তাদের যুদ্ধ থামাতে বাধ্য করেছিল।
প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার কাশ্মীর সংকট এবং সামরিক উত্তেজনার অবসান ঘটাতে নিজে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তার দাবি অনুযায়ী, বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার ও শুল্ক বৃদ্ধির ভয় দেখিয়ে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার পরমাণু শক্তিধর এই দুটি প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বড় ধরনের যুদ্ধ প্রতিরোধ করেছিলেন। তবে তার এই দাবির পক্ষে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো সাল বা কূটনৈতিক যোগাযোগের বিস্তারিত প্রকাশ করেননি।
নিজের কূটনৈতিক সাফল্য তুলে ধরতে গিয়ে ট্রাম্প কিছুটা হতাশার সুরেই বলেন যে, তিনি বিশ্বজুড়ে একাধিক বড় সংঘাত ও যুদ্ধ থামানোর ভূমিকা পালন করা সত্ত্বেও তাকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি। এর আগেও তিনি মধ্যপ্রাচ্যের আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংকটের অবসান ঘটিয়ে নোবেল পাওয়ার দাবি উত্থাপন করেছিলেন, যা নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে নানা তর্ক-বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল যখন মার্কিন রাজনীতিতে তার নির্বাচনী প্রচারণায় বৈদেশিক নীতি ও কূটনীতি একটি বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, তার এই ধরনের বক্তব্য মূলত তার কট্টর সমর্থকদের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের পাশাপাশি তার শাসনামলের তথাকথিত সাফল্যগুলোকে পুনরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসার একটি কৌশলগত প্রয়াস।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।