লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ ভবন থেকে চুয়েট উপাচার্যকে বের করে আনলেন ডিসি

প্রতিবেদক / উৎস: প্রথম আলো | তারিখ: 13 অক্টোবর 2026, 01:22 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 55 বার পঠিত
৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ ভবন থেকে চুয়েট উপাচার্যকে বের করে আনলেন ডিসি
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিনকে ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) বিকেলে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারের (এসপি) মধ্যস্থতায় তিনি ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। শিক্ষার্থীদের পদত্যাগের দাবির মুখে অবরুদ্ধ হওয়ার পর ‘আর ফিরবেন না’—এমন শর্তে পুলিশি পাহারায় তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • ৩০ ঘণ্টা ধরে প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ থাকার পর মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম ও পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন মল্লিকের সহায়তায় উপাচার্য ক্যাম্পাস ছাড়েন।
  • বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা সোমবার সকাল থেকে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে এবং ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
  • সমঝোতা অনুযায়ী, উপাচার্য ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন পুনরায় ক্যাম্পাসে না ফেরার এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন না করার মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিয়ে পুলিশি পাহারায় চুয়েট ত্যাগ করেন।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন দীর্ঘ ৩০ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি শেষে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সরাসরি হস্তক্ষেপে তাকে প্রশাসনিক ভবন থেকে বের করে আনা হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে সোমবার সকাল থেকেই তিনি নিজ কার্যালয়ে আটকা পড়েছিলেন।

ঘটনার সূত্রপাত হয় সোমবার সকালে, যখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপাচার্যসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত এই উপাচার্য ক্যাম্পাসে দলীয় রাজনীতি ও অনিয়ম প্রশ্রয় দিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ দফায় দফায় শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা চালায়।

উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম জানান, শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে এবং জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে উপাচার্যকে ক্যাম্পাস থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সমঝোতা বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, উপাচার্য আর ক্যাম্পাসে ফিরবেন না এবং তার প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন না। এই শর্ত মেনে নেওয়ার পর শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিলে পুলিশি পাহারায় তাকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

চুয়েট ক্যাম্পাসে বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উপাচার্যের এই প্রস্থানকে শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলনের প্রাথমিক বিজয় হিসেবে দেখছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক শূন্যতা পূরণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দ্রুত নতুন নির্দেশনা আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ঘটনা দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চলমান সংস্কার আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ