৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"দেশের জ্বালানি খাতের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব আজ একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য উঠছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সভায় প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ১৩টি নতুন উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। রামপালে এই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হলে দেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ত্বরান্বিত হবে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- রামপালে নির্মিত হতে যাওয়া সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ, যার প্রাথমিক উৎপাদন ক্ষমতা নির্ধারিত হয়েছে ৪৪২ মেগাওয়াট।
- আজকের একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের মোট ১৩টি মেগা প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হবে।
- এই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি বাস্তবায়িত হলে জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে এবং কার্বন নিঃসরণ কমবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে রামপালে একটি সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৪৪২ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আজকের একনেক সভায় শুধু সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নয়, বরং দেশের সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে মোট ১৩টি নতুন ও সংশোধিত প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য তোলা হচ্ছে। এসব প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব সবুজ শক্তির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে, যার অংশ হিসেবে এই সৌর প্রকল্পটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের মতে, রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি এই বিশাল আকৃতির সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল করবে। প্রকল্পটির প্রযুক্তিগত নকশা ও অর্থায়ন প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে প্রাথমিক যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। একনেক সভায় অনুমোদন মিললে নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যেই এর নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পাওয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, এই ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র সেই লক্ষ্য অর্জনে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়া নিশ্চিত হবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।