৮৭ টাকায় আনা মাল্টা বাজারে কেন ৫২০ টাকা কেজি
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"আমদানিতে প্রতি কেজি মাল্টার খরচ মাত্র ৮৭ টাকা হলেও দেশের খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৫২০ থেকে ৫৫০ টাকায়। ডেঙ্গুর প্রকোপ ও তীব্র গরমে ফলটির চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সিন্ডিকেটের কারসাজিতে দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। আমদানির পরিমাণ কিছুটা বাড়লেও সরবরাহ ব্যবস্থায় কারসাজির কারণে সাধারণ ক্রেতাদের পকেট কাটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- কাস্টমস ও এলসি তথ্য অনুযায়ী প্রতি কেজি মাল্টার আমদানি খরচ মাত্র ৮৭ টাকা, যা খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫২০ থেকে ৫৫০ টাকায়।
- ডেঙ্গুর প্রকোপ ও তীব্র গরমে রোগীর পাচক ক্ষমতা ঠিক রাখতে ও ভিটামিন সি-এর চাহিদা মেটাতে মাল্টা ও ডাবের চাহিদা বহুলাংশে বেড়েছে।
- আমদানি বাড়লেও সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ লাইনে সিন্ডিকেটের কারসাজির কারণে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশের বাজারে আমদানিকৃত বিদেশি ফল মাল্টার দাম সাধারণ মানুষের নাগালের সম্পূর্ণ বাইরে চলে গেছে। প্রতি কেজি মাল্টার আমদানি মূল্য ৮৭ টাকা হলেও পাইকারি ও খুচরা বাজারে তা ৫২০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অতিরিক্ত মুনাফালোভী একটি চক্র এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
চলমান তীব্র গরম এবং দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির কারণে বাজারে মাল্টা ও ডাবের মতো পুষ্টিকর ফল ও পানীয়ের চাহিদা রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসকরা ডেঙ্গু রোগীদের ভিটামিন সি ও তরল খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়ায় এই সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। চাহিদার তুলনায় সরবরাহে টান দেখিয়ে পাইকারি বাজারেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট বাজার মনিটরিং সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলেও খুচরা বাজারে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। আমদানিকারকরা দাবি করছেন যে এলসি খোলা এবং ডলারের চড়া মূল্যের প্রভাব বাজারে কিছুটা পড়লেও এই ব্যবধান ৫ গুণের বেশি হওয়া কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত নয়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় এই ফলটির দাম এভাবে লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থা কঠোর নজরদারির আওতায় এনে কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ ক্রেতাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।