৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ চলাকালীন বিমানবন্দর থেকে আটক হন নেতা অভিজিৎ দীপকে। আটকের দিনেই মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলায় ৮০ বছর বয়সে মারা যান তাঁর ঠাকুমা সাবিত্রী শঙ্কর দীপকে। পুলিশি আটকের কারণে শেষকৃত্যে থাকতে পারেননি তিনি। তবে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে বিষয়টি জানিয়ে তাঁকে সবরকম সাহায্যের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অংশ হিসেবে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দর থেকে ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।
- আটকের দিনেই মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলার সান্তুক পিমপ্রি গ্রামে বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিজিতের ৮০ বছর বয়সি ঠাকুমা সাবিত্রী শঙ্কর দীপকে।
- দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিজিৎ দীপকে ঠাকুমার প্রয়াণের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা জানানো হয় এবং শেষকৃত্যে অংশগ্রহণের জন্য সর্বাত্মক মানবিক সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান রাজনৈতিক বিক্ষোভের মধ্যেই এক বড় ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (Cockroach Janata Party) অন্যতম মুখ অভিজিৎ দীপকে। শনিবার দিল্লিতে বিমান থেকে নামার পরপরই পুলিশ তাঁকে সহ দলের নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে আটক করে। আটকের পর তাঁদের ভিন্ন ভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। এই আকস্মিক রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই তাঁর পরিবারে নেমে আসে গভীর শোক।
ঘটনার দিন অর্থাৎ শনিবারই মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলার সান্তুক পিমপ্রি গ্রামে দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মারা যান অভিজিতের ঠাকুমা সাবিত্রী শঙ্কর দীপকে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। এই মর্মান্তিক খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অভিজিতের পরিবার গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলেও, পুলিশের জালে বন্দি থাকায় ঠাকুমার শেষকৃত্যে উপস্থিত থাকতে পারেননি এই তরুণ রাজনৈতিক কর্মী।
অভিজিৎ দীপকে আটক রাখার সময়ে ঠাকুমার মৃত্যুর খবর তাঁর থেকে গোপন রাখা হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন শুরু হয়। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে শনিবার রাতেই একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করে দিল্লি পুলিশ। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয় যে, ঠাকুমার প্রয়াণের সংবাদ পাওয়ামাত্রই তা অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে অভিজিৎকে জানানো হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, শেষকৃত্যের সময় ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে তাঁকে অবগত করা হয়। এছাড়া তিনি যদি শেষকৃত্যে অংশ নিতে চান, তবে তার জন্য সব ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক সহযোগিতার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা এবং পুলিশের মানবিক পদক্ষেপটি বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।