৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ক্যামাক স্ট্রিটে বেআইনি হোর্ডিং সরানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের তলব করেছে কলকাতা পুলিশ। বুধবার সকাল ১১টায় তাঁকে শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ২৭ অগাস্টের এই ঘটনায় ইতিপূর্বে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হলেও, পুরসভার দায়ের করা মামলার তদন্তে এবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- গত ২৭ অগাস্ট ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের সামনে বেআইনি বিলবোর্ড অপসারণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও পুরকর্মীদের মারধরের ঘটনা ঘটে।
- এই ঘটনায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় মোট তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ প্রথম দফায় ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।
- তদন্তের স্বার্থে গত রবিবার কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিয়ে তলব করা হলেও তিনি ইমেলের মাধ্যমে ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়ে নেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৭ অগাস্ট, যখন ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের কার্যালয়ের সামনে একটি অননুমোদিত বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ও সংঘর্ষ ছড়ায়। অভিযোগ ওঠে, সেই সময় দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মী ও কলকাতা পুরনিগমের কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং তাদের মারধর করা হয়। এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শেক্সপিয়র সরণি থানায় মোট তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে প্রাথমিক পর্যায়ে ১৩ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করে। বর্তমানে পুরসভার দায়ের করা ওই মামলাগুলির মূল সত্য উদঘাটন এবং ঘটনার নেপথ্যের নির্দেশদাতাদের চিহ্নিত করতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
এর আগেও গত ৭ অক্টোবর একই মামলায় নোটিস দেওয়ার জন্য পুলিশ তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে গিয়েছিল, কিন্তু সে সময় তিনি উপস্থিত না থাকায় নোটিস হস্তান্তর করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে গত রবিবার পুনরায় নোটিস পৌঁছানোর পর অভিষেক পক্ষের পক্ষ থেকে মেইল পাঠিয়ে বাড়তি সময় চাওয়া হয়। আজ বুধবারের নতুন নির্দেশিকায় পুলিশ তাঁকে তলব করলেও, তিনি শেষ পর্যন্ত হাজিরা দেবেন কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া মেনেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এই হাই-প্রোফাইল তলব ও তদন্তকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিরোধী দলগুলো এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থার দাবি জানালেও, শাসক দলের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে আইনিভাবে মোকাবেলা করার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। মামলার গতিপ্রকৃতি এবং আগামী দিনে পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের গভীর নজর রয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Asianet News Bangla-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।