রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় আদা ও রসুনের দাম বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি কেজি ২০০ টাকায় পৌঁছেছে। কাঁচামরিচ ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা এবং চাষের রুই ও কাতলা মাছ প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে শীতের আগাম সবজি শিম, ফুলকপি ও টম্যাটোর সরবরাহ বাড়ায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গতকাল মিরপুরের বিভিন্ন কাঁচাবাজারে এই চিত্র দেখা যায়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- রান্নার অন্যতম প্রধান উপাদান আদা ও রসুনের দাম বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
- বাজারে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা এবং পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
- চাষের রুই ও কাতলা মাছ প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং পাঙাশ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে বড় ধরনের তারতম্য দেখা গেছে। রান্নার কাজে নিয়মিত ব্যবহৃত মসলা জাতীয় পণ্য আদা ও রসুনের দাম চড়ে গিয়ে বর্তমানে প্রতি কেজি ২০০ টাকায় ঠেকেছে। গতকাল রাজধানীর মিরপুরের মুসলিম বাজার ও কালশী কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতাদের অতিরিক্ত দামে এসব পণ্য কিনতে হচ্ছে।
এদিকে শীতকালীন আগাম সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। বাজারে শিম, ফুলকপি ও টম্যাটোর উপস্থিতি বাড়ায় দাম ক্রেতাদের কিছুটা নাগালে এসেছে। তবে অন্যান্য সবজির মধ্যে ঢ্যাঁড়শ প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কচুমুখি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আকারভেদে প্রতি পিস লাউয়ের দাম রাখা হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারেও রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। রুই ও কাতলা মাছ প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তুলনামূলক কম দামে মিলছে পাঙাশ (২০০-২২০ টাকা) ও চাষের কই (২০০-২৪০ টাকা)। অন্যদিকে তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২২০ টাকা, পাবদা মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা এবং শিং ও মাগুর মাছ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন জাতের চিংড়ি মাছের কেজি ৬৫০ থেকে ৮৫০ টাকা পর্যন্ত চাচ্ছেন বিক্রেতারা।
নিত্যপণ্যের এই দামের ওঠানামায় সাধারণ মানুষের বাজেটে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। মসলা জাতীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে গৃহস্থালির রান্নার খরচ বেড়ে গেছে। তবে শীতকালীন সবজির সরবরাহ পুরোপুরি শুরু হলে সবজি বাজার আরও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।