প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল ডিভাইস ‘আইফোন ডুও’ বাজারে আসার পর থেকেই তীব্র চাহিদা ও ব্যবহারকারী সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। প্রায় আড়াই লাখ টাকা মূল্যের এই ডিভাইসটির প্রি-অর্ডার ও ভিয়েতনামে প্রথম ব্যাচ বিক্রির পর ভাজ সংক্রান্ত কারিগরি ত্রুটি ও উচ্চমূল্যের কারণে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দুবাইসহ বিভিন্ন বাজারে ব্যবসায়ীরা ১০ গুণ লাভের আশায় ভিড় করছেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস ‘আইফোন ডুও’-এর বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি টাকা।
- ভিয়েতনামে গত ২৩শে অক্টোবর প্রথম ব্যাচের গ্রাহকদের হাতে ডিভাইসটি পৌঁছানোর পর থেকেই স্ক্রিন ভাঁজ ও কারিগরি জটিলতা নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
- মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে ডিভাইসটির চরম চাহিদার সুযোগ নিয়ে দুবাইয়ে ১০ গুণ পর্যন্ত বেশি লাভের আশায় ভিড় জমাচ্ছেন আন্তর্জাতিক মোবাইল ব্যবসায়ীরা।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল তাদের বহুল প্রতীক্ষিত প্রথম ফোল্ডেবল স্মার্টফোন ‘আইফোন ডুও’ বাজারে ছাড়ার পর থেকেই বিশ্বব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় আড়াই লাখ টাকা মূল্যের এই প্রিমিয়াম ডিভাইসটি ঘিরে প্রযুক্তিপ্রেমী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র উন্মাদনা লক্ষ্য করা গেছে। অ্যাপলের এই নতুন জুয়া বাজার দখলে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মধ্যে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
তবে ডিভাইসটি হাতে পাওয়ার পর থেকেই ব্যবহারকারীদের একাংশ বড় ধরনের সমস্যার মুখে পড়েছেন। ফোল্ডেবল স্ক্রিনের স্থায়িত্ব এবং ডিসপ্লে ফোল্ড হওয়ার স্থানে কিছু কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ব্যবহারকারীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে এত চড়া মূল্যের একটি ডিভাইসে এ ধরনের সমস্যা অ্যাপলের সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভিয়েতনামে গত ২৩শে অক্টোবর প্রথম ব্যাচের গ্রাহকদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘আইফোন ডুও’ হস্তান্তর করা হয়। নির্ধারিত দিনে ডিভাইসটি সংগ্রহ করতে রাজধানীসহ বিভিন্ন আউটলেটে ভিড় জমান ক্রেতারা। অন্যদিকে, দুবাইয়ের বাজারে স্টক স্বল্পতার সুযোগ নিয়ে একশ্রেণির ব্যবসায়ী ১০ গুণ পর্যন্ত অতিরিক্ত লাভের আশায় ফোল্ডেবল আইফোন কিনতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন, যা আন্তর্জাতিক কালোবাজারের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।
সামগ্রিক এই পরিস্থিতিতে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ দ্রুত সফটওয়্যার আপডেট এবং ফিজিক্যাল সাপোর্ট দিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে। ফোল্ডেবল ফোন বাজারে স্যামসাং ও গুগলের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের সাথে টিকে থাকতে অ্যাপলের এই ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসটির গুণগত মান রক্ষা করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।