আরো কমল সোনার দাম, ভরি কত
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"বাংলাদেশ ব্যাংক লাইসেন্সবিহীন ২২টি অনলাইন পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর শনাক্ত করে তাদের ওয়েবসাইট ও গুগল প্লে স্টোরের অ্যাপ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে বিটিআরসিকে চিঠি দিয়েছে। রোববার পাঠানো এই চিঠিতে বহুদূর পে, জিনিপে, পে-টিলারসহ অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেন্ট্রাল ব্যাংক আর্থিক নিরাপত্তা ও গ্রাহক প্রতারণা রোধে বিএফআইইউকেও বিষয়টি অবহিত করেছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস সুপারভিশন বিভাগ লাইসেন্সবিহীন ২২টি অনলাইন পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর শনাক্ত করেছে যার মধ্যে বহুদূর পে, জিনিপে, পে-টিলার, বেঙলি পে এবং পিপড়াপে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক রবিবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) চিঠি দিয়ে এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট এবং গুগল প্লে স্টোরের অ্যাপসমূহ অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, অনুমোদনহীন এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে আর্থিক লেনদেন সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এর দায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক নেবে না।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
লাইসেন্স ছাড়া অবৈধভাবে পরিচালিত ২২টি অনলাইন পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিকে রবিবার একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চিঠিতে অননুমোদিত এসব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট এবং গুগল প্লে স্টোরের অ্যাপগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকেও (বিএফআইইউ) এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অবহিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস সুপারভিশন বিভাগ এই অভিযান পরিচালনা করে।
শনাক্ত হওয়া লাইসেন্সবিহীন ২২টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে বহুদূর পে, জিনিপে, পে-টিলার, বেঙলি পে, পেওরা বিডি, সহজপে বিডি, ইজিপে ওয়ে, একে পে, বিডি পে, সাজঘর পে, আস্থা পে, উদ্যোক্তাপে, ওয়ালেটমিক্স, বিটিটি পে, ইজিপে অটোমেশন, ইউনিকপে বিডি, বিডি অটো পে, আরএইচ পে বিডি, ইজি পে, অটো পে লিমিটেড, স্ত এবং পিপড়াপে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মানুযায়ী, সেন্ট্রাল ব্যাংকের পূর্বানুমোদন বা লাইসেন্স ছাড়া এ ধরনের ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, অনুমোদনহীন এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সাধারণ গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হচ্ছে। এই অননুমোদিত মাধ্যমের মাধ্যমে কোনো ব্যবহারকারী প্রতারণার শিকার হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার কোনো দায়দায়িত্ব নেবে না। মূলত গ্রাহকদের অর্থ সুরক্ষা এবং আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই বিটিআরসিকে এসব প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল উপস্থিতি সম্পূর্ণ মুছে ফেলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণের সুযোগ করে দেয়, যা লাইসেন্সপ্রাপ্ত না হলে মারাত্মক অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, লাইসেন্সহীন পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটরদের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো নিয়ন্ত্রক সুরক্ষা, কঠোর নজরদারি কিংবা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বাধ্যবাধকতা থাকে না। কোনো প্রতিষ্ঠান তারল্য সংকট, দেউলিয়াত্ব বা প্রতারণার শিকার হলে হাজার হাজার ব্যবসায়ী ও গ্রাহকের বিপুল পরিমাণ অর্থ চিরতরে আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে ডিজিটাল লেনদেনে শৃঙ্খলা ফেরার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ বড় ধরনের আর্থিক প্রতারণা থেকে সুরক্ষা পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।