ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের দেওয়া আলটিমেটামের শেষ দিন আজ। এর আগে পুলিশের লাঠিপেটার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মধ্যরাতে সড়কে বিক্ষোভ করেন ছাত্রীরা। আজ বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করার কথা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু প্রশাসনিক দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা দূর করা।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স কলেজের বিতর্কিত অধ্যক্ষের পদত্যাগের আলটিমেটামের সময়সীমা আজ শেষ হচ্ছে।
- আন্দোলনরত ছাত্রীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদে তাঁরা সম্প্রতি মুখে কালো কাপড় বেঁধে অভিনব ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেন।
- পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে আজ বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স কলেজের (গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের চূড়ান্ত আলটিমেটামের মেয়াদ আজ শেষ হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা নানা ধরনের প্রশাসনিক অনিয়ম, শিক্ষার্থীদের সাথে অসদাচরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা হ্রাসের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা এই কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে আন্দোলন আরও তীব্র করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।
এর আগে গত কয়েকদিন ধরে চলা এই আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আন্দোলনরত ছাত্রীদের ওপর পুলিশের লাঠিপেটার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে শিক্ষার্থীরা সম্প্রতি মুখে কালো কাপড় বেঁধে সড়কে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। শান্তিপূর্ণ এই কর্মসূচিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার আলোচনার আশ্বাস দেওয়া হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। উল্টো পুলিশ দিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমনের চেষ্টা করা হয়েছে, যা ক্যাম্পাসের পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। শিক্ষক ও অভিভাবক মহলেও বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং দ্রুত একটি কার্যকর প্রশাসনিক সমাধানের দাবি জানানো হয়েছে।
আজ বিকেলের সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে পরবর্তী নতুন ও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সুনির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাঁদের এই আন্দোলন কেবল একজন ব্যক্তির পদত্যাগের জন্য নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে অপরিহার্য।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।