লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

বাড়ছে ইনডোর প্লান্টের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা

প্রতিবেদক / উৎস: দৈনিক কালের কণ্ঠ | তারিখ: 09 সেপ্টেম্বর 2026, 06:00 বিকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 44 বার পঠিত
বাড়ছে ইনডোর প্লান্টের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"নগরায়ণ ও গৃহসজ্জার আধুনিক ধারায় দেশে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে ইনডোর প্লান্ট বা ঘরোয়া উদ্ভিদের বাণিজ্যিক বাজার। রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে ক্যাকটাস, মানিপ্ল্যান্ট, মনস্টেরা ও স্নেক প্ল্যান্টের মতো বায়ুশোধক গাছের চাহিদা বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি। নার্সারি মালিক ও তরুণ উদ্যোক্তারা অনলাইন ও অফলাইনে এ খাতে গড়ে তুলেছেন প্রায় শতকোটি টাকার বাজার।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • শহরাঞ্চলে ফ্ল্যাট ও করপোরেট অফিসে ইনডোর উদ্ভিদের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে ঘরোয়া গাছের আনুমানিক বাজার ছাড়িয়েছে বার্ষিক ১০০ কোটি টাকা।
  • বাতাস বিশুদ্ধকরণ ও কম পরিচর্যার সুবিধার কারণে পিস লিলি, অ্যালোভেরা, স্নেক প্ল্যান্ট, ফাইকাস ও মনস্টেরা বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত।
  • অনলাইনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দেশে গত তিন বছরে দুই সহস্রাধিক নতুন তরুণ উদ্যোক্তা সফলভাবে এ ব্যবসায় যুক্ত হয়েছেন।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

নাগরিক জীবনে সবুজের ছোঁয়া ধরে রাখতে এবং ঘরের নান্দনিকতা বাড়াতে দেশে ইনডোর প্লান্ট বা ঘরোয়া উদ্ভিদের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। ঢাকাসহ প্রধান বিভাগীয় শহরগুলোতে বহুতল ভবনের ফ্ল্যাট সংস্কৃতি ও করপোরেট অফিসের আধুনিকায়নের ফলে এ ধরনের গাছের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। কম আলো ও সীমিত পানির উপস্থিতিতে বেঁচে থাকার উপযোগী বিভিন্ন প্রজাতির পাতা বাহারি ও বায়ু শোধনকারী উদ্ভিদ এখন শহুরে জীবনের অপরিহার্য অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে।

বর্তমানে স্থানীয় নার্সারিগুলোর পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও গড়ে উঠেছে ইনডোর প্লান্টের বড় বাজার। তরুণ উদ্যোক্তারা ড্রাসিনা, স্নেক প্ল্যান্ট, মনস্টেরা ডেলিসিওসা, পিস লিলি, অ্যান্থুরিয়াম ও বিভিন্ন জাতের ক্যাকটাস সংগ্রহ ও প্রজনন করে বাজারজাত করছেন। গাছ ও তার আকারের ওপর ভিত্তি করে প্রতিটি ইনডোর উদ্ভিদের মূল্য ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকা এবং দুর্লভ জাতের ক্ষেত্রে তা ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। একই সঙ্গে সিরামিক টব, জৈব সার ও বিশেষ মাটির সংমিশ্রণের মতো আনুষঙ্গিক সামগ্রীর ব্যবসাও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে।

কৃষিবিদ ও উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের মতে, ইনডোর প্লান্ট কেবল ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, বরং ঘরের ভেতরের বিষাক্ত গ্যাস যেমন ফর্মালডিহাইড ও বেনজিন শুষে নিয়ে বাতাস বিশুদ্ধ রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া নাসার গবেষণায় প্রমাণিত কিছু নির্দিষ্ট বায়ুশোধক উদ্ভিদ ঘরে রাখলে মানসিক প্রশান্তি বাড়ে এবং স্ট্রেস কমে। এ কারণে বাসা-বাড়ির পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংক, করপোরেট হেডকোয়ার্টার, রেস্তোরাঁ ও স্কুলেও এখন পরিকল্পিতভাবে ইনডোর ল্যান্ডস্কেপিং করা হচ্ছে।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, সঠিক সরকারি প্রণোদনা ও বৈজ্ঞানিক গ্রিনহাউস প্রযুক্তি নিশ্চিত করা গেলে স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশি বাজারেও ইনডোর প্লান্ট রপ্তানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব। যথাযথ প্যাকেজিং এবং আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন করা গেলে এটি বাংলাদেশের কৃষি-অর্থনীতিতে নতুন এক সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ