৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"চলতি অক্টোবরের প্রথম ছয় দিনে দেশে ৬৩ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ৭ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাস আয় বেড়েছে ১৪.১০ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৯২২ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- চলতি অক্টোবরের প্রথম ৬ দিনে দেশে মোট ৬৩ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪.১০ শতাংশ বেশি।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের অক্টোবরের প্রথম ছয় দিনে প্রবাস আয় এসেছিল ৫৫ কোটি ২০ লাখ ডলার।
- চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৯২২ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৩.৩০ শতাংশ বেশি।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
চলতি বছরের অক্টোবরের প্রথম ছয় দিনে দেশে ৬৩ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যার দেশীয় মুদ্রায় পরিমাণ প্রায় ৭ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সময়ে প্রবাস আয় বেড়েছে ১৪ দশমিক ১০ শতাংশ। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়, শুধু মঙ্গলবারই দেশে ১ হাজার ৬৩৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা সমপরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে।
চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই দেশের রেমিট্যান্সপ্রবাহে একটি ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ১ জুলাই থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ৯২২ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৮১৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, চলতি অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাস আয় বেড়েছে ১০৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার বা ১৩ দশমিক ৩০ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা মনে করছেন, প্রবাস আয়ের এই ধারাবাহিক ও শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। হুন্ডি প্রতিরোধে কড়াকড়ি এবং বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের নানা উৎসাহমূলক পদক্ষেপের কারণেই এই প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মত প্রকাশ করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকলে তা দেশের আমদানিতিসহ ডলার বাজারের ওপর চলমান চাপ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে আনবে। এর ফলে দেশের সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনীতি আরও স্থিতিশীল হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্বস্তিদায়ক অবস্থানে ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।