লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশে এখনো কেন হামের প্রকোপ কমছে না, ডব্লিউএইচও কী বলছে

প্রতিবেদক / উৎস: প্রথম আলো | তারিখ: 17 অক্টোবর 2026, 06:49 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 16 বার পঠিত
বাংলাদেশে এখনো কেন হামের প্রকোপ কমছে না, ডব্লিউএইচও কী বলছে
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও এর কারণ নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) উদ্বেগের মধ্যে রোগটির উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৮৬ জনে। সিলেটে নতুন করে ১২৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতি ও সচেতনতার অভাবেই এই সংকট বাড়ছে।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার ফলে চলতি বছরে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৮৬ জনে।
  • সিলেট অঞ্চলে পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে, যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১২৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, পর্যাপ্ত টিকাদান কভারেজের অভাব এবং সময়মতো বুস্টার ডোজ না নেওয়ার কারণে বাংলাদেশে হামের প্রকোপ কমছে না।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

বাংলাদেশে হামের সংক্রমণ ও এর মারাত্মক উপসর্গ জনস্বাস্থ্যকে এক গভীর সংকটের মুখে ফেলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশজুড়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৮৬ জনে। বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের মধ্যে এর প্রকোপ আশঙ্কাজনকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় চিকিৎসকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

সিলেট বিভাগে পরিস্থিতির অবনতি সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু সিলেটেই বিভিন্ন হাসপাতালে ১২৪ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাসপাতালগুলোতে হামের ওয়ার্ডগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। পর্যাপ্ত বেডের অভাবে অনেক রোগীকে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় না হওয়া এবং জটিলতা বাড়ার পর হাসপাতালে আসায় মৃত্যুর হার বাড়ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে, দেশব্যাপী নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে কিছু এলাকার পিছিয়ে পড়া এবং করোনার পরবর্তী সময়ে টিকা প্রদানে শিথিলতার কারণে হার্ড ইমিউনিটি দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ৯ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের দ্বিতীয় ডোজ এমআর (মিজলস-রুবেলা) টিকা নিশ্চিত না হওয়ায় এই ভাইরাস বারবার মহামারী আকারে ফিরে আসছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অবিলম্বে দেশব্যাপী হামবিরোধী বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন জোরদার করার এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন। অন্যথায় এই প্রাদুর্ভাব আরও মারাত্মক রূপ ধারণ করতে পারে বলে তারা সতর্ক করেছেন। সরকার ও স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে টিকাবঞ্চিত শিশুদের খুঁজে বের করে টিকার আওতায় আনতে মাঠপর্যায়ে নির্দেশনা পাঠিয়েছে।

বিজ্ঞাপন ও বিশেষ খবর
স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ