৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার। সাধারণ প্রতিষ্ঠানের জন্য মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিন এবং সরকারি, ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠানের জন্য ২০ দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া এই বিধান অনুযায়ী রিটার্নে সম্পূরক শুল্কের তথ্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী সাধারণ নিবন্ধিত ও তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানকে কর মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন জমা দিতে হবে।
- সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বীমা প্রতিষ্ঠান এবং শূন্য রিটার্ন দাখিলকারীদের জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ দিন।
- রাষ্ট্রপতি ১৩ অক্টোবর এই অধ্যাদেশ জারি করেন এবং এটি চলতি বছরের ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নির্দিষ্ট করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। গত ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ প্রকাশিত হয়। রাষ্ট্রপতি ১৩ অক্টোবর এই অধ্যাদেশ জারি করেন, যা ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। জাতীয় সংসদের অধিবেশন না থাকা এবং জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের ১ উপ-অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
নতুন এই বিধানের মাধ্যমে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ৬৪ ধারা সম্পূর্ণ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, সাধারণ নিবন্ধিত ও তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কর মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে হবে। তবে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বীমা প্রতিষ্ঠান এবং শূন্য রিটার্ন দাখিলকারীদের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা ২০ দিন রাখা হয়েছে। এছাড়া নির্ধারিত ১৫ বা ২০তম দিনে সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে।
এনবিআরের নতুন এই বিধান অনুযায়ী, মূসক রিটার্নে সম্পূরক শুল্ক পরিশোধের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রয়োজনে আদেশের মাধ্যমে কোনো নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করতে পারবে। জনস্বার্থে এনবিআর আদেশ জারির মাধ্যমে সুদ ও জরিমানা ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানোর ক্ষমতাও সংরক্ষণ করে।
বিশ্লেষকদের মতে, ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের এই সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণের ফলে রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আসবে। ব্যাংক, বীমা ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা সময়সীমা নির্ধারণ করায় প্রশাসনিক কার্যক্রমেও সমন্বয়হীনতা দূর হবে। এটি দীর্ঘমেয়াদে দেশের জাতীয় রাজস্ব আহরণ প্রক্রিয়াকে আরও ডিজিটালাইজড ও করদাতা-বান্ধব করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।