লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

বিবিসি বাংলার ৮৫ বছর: রেডিও থেকে স্মার্টফোনের পর্দায় বিশ্বাসের এক দীর্ঘ যাত্রা

প্রতিবেদক / উৎস: বিবিসি বাংলা | তারিখ: 11 অক্টোবর 2026, 08:46 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 62 বার পঠিত
বিবিসি বাংলার ৮৫ বছর: রেডিও থেকে স্মার্টফোনের পর্দায় বিশ্বাসের এক দীর্ঘ যাত্রা
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"১৯৪১ সালের ১১ অক্টোবর যাত্রা শুরু করা বিবিসি বাংলা গত ৮৫ বছরে রেডিওর তরঙ্গ থেকে স্মার্টফোনের পর্দায় রূপান্তর ঘটে কোটি বাঙালির আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। প্রথম দিকে সপ্তাহে ১৫ মিনিটের অনুষ্ঠান দিয়ে শুরু হলেও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে এই গণমাধ্যমটি ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে এটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংবাদ পরিবেশন করছে।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • ১৯৪১ সালের ১১ অক্টোবর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধক্ষেত্রের খবর প্রচারে বিবিসি বাংলার যাত্রা শুরু হয় এবং শুরুর দিকে লন্ডন স্টুডিওতে এর ইংরেজি কপি তদারকি করতেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েল।
  • ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে একটি চায়ের দোকানের একটিমাত্র রেডিওতে খবর শুনতে মানুষের ভিড়ের কারণে ওই এলাকার নাম হয়ে গিয়েছিল 'বিবিসি বাজার'।
  • ডিজিটাল যুগে রূপান্তরের অংশ হিসেবে ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে বিবিসি বাংলা সম্পূর্ণভাবে অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে চলে যায়।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

১৯৪১ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ডামাডোলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অস্থিরতার সময় খবরের বিস্তার ঘটাতে বিবিসি বাংলা যাত্রা শুরু করে। সেই বছরের ১১ অক্টোবর প্রথম সম্প্রচারটি ছিল মাত্র ১৫ মিনিটের সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান। পরবর্তীতে ১৯৪৪ সালে যুক্ত হয় জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান 'বিচিত্রা'। ব্রিটিশ ভারত ভাগ, বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং পরবর্তীতে নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে সংবাদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এই মাধ্যমটি অগণিত মানুষের আস্থার ঠিকানা হয়ে ওঠে।

ইতিহাসের বিভিন্ন বাঁকবদলে বিবিসি বাংলার সঙ্গে শ্রোতাদের আবেগ গভীরভাবে জড়িয়ে ছিল। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর পাকিস্তানি সামরিক জান্তার কঠোর সেন্সরশিপ ও দমনপীড়নের মধ্যেও বাংলার মানুষ রেডিওর খবরের ওপর ভরসা রাখত। পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে একটি চায়ের দোকানের রেডিওতে খবর শোনার জন্য মানুষের উপচে পড়া ভিড় থেকে একসময় সেখানে 'বিবিসি বাজার' গড়ে ওঠে, যা গণমাধ্যমটির প্রতি সাধারণ মানুষের অগাধ ভালোবাসার অনন্য এক ঐতিহাসিক দলিল হয়ে আছে।

দীর্ঘ ৮১ বছর ধরে রেডিওই ছিল বিবিসি বাংলার সবচেয়ে পরিচিত ও জনপ্রিয় মাধ্যম। তবে সময়ের বিবর্তনে এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার কারণে ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর রেডিও সম্প্রচার আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর আগেই ২০০৫ সালে ওয়েবসাইট চালুর মধ্য দিয়ে ডিজিটাল দুনিয়ায় পা রেখেছিল বিবিসি বাংলা। রেডিওর যুগ শেষ হলেও শ্রোতা-দর্শকদের নতুন প্রজন্মের অভ্যাস ও স্মার্টফোনের ব্যবহারকে প্রাধান্য দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি এখন ফেসবুক, ইউটিউব ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলের মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সমানভাবে সক্রিয় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, শুধু ক্ষমতার করিডোর বা রাজনৈতিক সংঘাত নয়, বরং প্রাকৃতিক দুর্যোগ, নদীভাঙন ও প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রামের গল্প তুলে ধরার মধ্য দিয়ে বিবিসি বাংলা গণমাধ্যমের অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজকের দিনে যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য ও সত্যের দ্বন্দ্ব চলছে, তখন ডিজিটাল স্ক্রিনে বিবিসি বাংলার বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ উপস্থিতি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি বাংলাভাষী পাঠকের কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্যের প্রধান উৎস হিসেবে টিকে রয়েছে।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার বিবিসি বাংলা-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ