লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

বিদেশি কর্মী নিয়োগে মাইক্রোসফটের ওপর হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা

প্রতিবেদক / উৎস: বিবিসি বাংলা | তারিখ: 09 অক্টোবর 2026, 03:37 রাত | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 46 বার পঠিত
বিদেশি কর্মী নিয়োগে মাইক্রোসফটের ওপর হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের অভিযোগের ভিত্তিতে মাইক্রোসফটসহ আটটি বহুজাতিক প্রযুক্তি ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে বিদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগের পার্ম আবেদন অনুমোদন স্থগিত করেছে হোয়াইট হাউস। বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স দাবি করেন, মাইক্রোসফট স্থানীয় আমেরিকান কর্মী ছাঁটাই করে এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে বিদেশি চুক্তিবদ্ধ শ্রমিক নির্ভরতা বাড়াচ্ছে, যা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মাইক্রোসফটসহ অ্যাডোবি, কগনিজেন্ট, ইনফোসিস, টাটা, উইপ্রো, এইচসিএল এবং ক্যাপজেমিনির বিরুদ্ধে এইচ-১বি ভিসা ও পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন (পার্ম) কর্মসূচিতে জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগ এনেছেন।
  • মার্কিন শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং ঘোষণা দিয়েছেন যে, সরকার এই আটটি কোম্পানির কোনো নতুন বা বিচারাধীন পার্ম আবেদন বা স্থায়ী মার্কিন বাসিন্দা করার প্রক্রিয়া আর অনুমোদন করবে না।
  • মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তাদের দুই লাখ কর্মীর মাঝে জমা দেওয়া এইচ-১বি ভিসার ৮০ শতাংশই বিদ্যমান কর্মীদের জন্য এবং তাদের মার্কিন কর্মীদের সমান ১ লাখ ৫৫ হাজার ডলার গড়ে বেতন দেওয়া হয়।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগে প্রচলিত এইচ-১বি ভিসা এবং পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন বা 'পার্ম' কর্মসূচির অপব্যবহারের অভিযোগে মাইক্রোসফটসহ আটটি শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে হোয়াইট হাউস। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স অভিযোগ করেন যে, আমেরিকার অন্যতম মূল্যবান প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট অভ্যন্তরীণ দক্ষ কর্মীদের বাদ দিয়ে বিদেশি চুক্তিবদ্ধ শ্রমিকদের ওপর অতিরিক্ত মাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাডোবি, কগনিজেন্ট, ইনফোসিস, টাটা, উইপ্রো, এইচসিএল এবং ক্যাপজেমিনি।

মার্কিন শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, বর্তমান সিদ্ধান্তের ফলে এই আটটি কোম্পানির কোনো নতুন বা বিচারাধীন পার্ম আবেদন অনুমোদন করবে না মার্কিন সরকার। বার্ষিক সর্বোচ্চ ৮৫ হাজার এইচ-১বি ভিসার কোটা থাকা এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণত আমেরিকার কোম্পানিগুলো দেশীয় বাজারে পর্যাপ্ত দক্ষ কর্মী না পেলে বিদেশ থেকে বিশেষায়িত কর্মী নিয়োগ করে থাকে। তবে প্রশাসনের দাবি, এই প্রক্রিয়াটি বর্তমানে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে বড় কোম্পানিগুলো ভিসা কারখানায় পরিণত হয়েছে এবং আমেরিকান নাগরিকদের অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

অভিযোগের জবাবে মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাদের দুই লাখেরও বেশি কর্মী কর্মরত রয়েছেন এবং গত অর্থবছরে জমা দেওয়া এইচ-১বি ভিসার ৮০ শতাংশই নতুন নিয়োগের বদলে বিদ্যমান কর্মচারীদের সাথে সম্পর্কিত। কোম্পানিটির দাবি, এইচ-১বি ভুক্ত আন্তর্জাতিক কর্মীরা মার্কিন কর্মীদের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ বা প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার গড়ে বার্ষিক বেতন পেয়ে থাকেন। তাছাড়া, মাইক্রোসফট প্রশাসনকে অতিরিক্ত সব প্রয়োজনীয় তথ্য ও উপাত্ত সরবরাহ করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতে বিদেশি কর্মী নিয়োগ এবং গ্রিন কার্ড পাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারে। একই সাথে দেশীয় কর্মসংস্থান সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মেধাবী কর্মীদের প্রবেশাধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে এই নীতি মার্কিন কর্পোরেট মহলে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার বিবিসি বাংলা-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ