৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ধীরগতির কারণে ২০২৭ সালে ৪ হাজার ২৫৬ মেগাওয়াট এবং ২০৩০ সাল নাগাদ প্রায় ১৩ হাজার ৯৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। গত ৭ অক্টোবর বিদ্যুৎ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বুই কুওক হুং এই তথ্য জানান। সরবরাহ ঘাটতি মোকাবিলায় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিদ্যুৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বিদ্যুৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা ৮ (Power Development Plan VIII) বাস্তবায়নের তিন বছর পর নতুন চালু হওয়া প্রকল্পের ক্ষমতা মাত্র ৫% এবং প্রায় ৪৫% প্রকল্প এখনও কোনো বিনিয়োগ অনুমোদন পায়নি।
- প্রকল্পের অগ্রগতিতে বিলম্বের কারণে ২০২৭ সালে জাতীয় গ্রিডে ৪,২৫৬ মেগাওয়াট এবং ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ১৩,৯৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ও ৬১.১৮ বিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টা ঘাটতির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
- পরিস্থিতি সামাল দিতে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ আইন সংশোধন করে জাতীয় সংসদে পেশ করার উদ্যোগ নিয়েছে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের সুপারিশ করেছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পিছিয়ে থাকায় ভবিষ্যতে বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত ৭ই অক্টোবর বিদ্যুৎ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বুই কুওক হুং জানান যে, সংশোধিত বিদ্যুৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা VIII-এর আওতাধীন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অত্যন্ত ধীরগতির। জমি বরাদ্দ, দীর্ঘমেয়াদী আলোচনা, বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (PPA) স্বাক্ষর এবং সঠিক মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ার জটিলতার কারণে উৎপাদন ও গ্রিড স্থাপনের অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে, যা জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করছে।
শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, বিদ্যুৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা ৮ বাস্তবায়নের তিন বছর পেরিয়ে গেলেও নতুন চালু হওয়া প্রকল্পগুলোর মোট ক্ষমতা মাত্র ৫ শতাংশ। এছাড়া, প্রায় ৯ শতাংশ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হলেও তা এখনও উৎপাদনে আসেনি, প্রায় ২৮ শতাংশের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী নির্বাচিত হলেও কাজ শুরু হয়নি এবং প্রায় ৪৫ শতাংশ প্রকল্প এখনও কোনো ধরনের বিনিয়োগ অনুমোদনই পায়নি। জলবায়ুর চরম পরিবর্তন, এল নিনোর প্রভাব এবং ২০২৭ সালের শুষ্ক মৌসুমের জন্য জলবিদ্যুৎ জলাধারগুলোতে পানি সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।
এই পরিস্থিতিতে বিকল্প সমাধান ও ঘাটতি পূরণের রূপরেখা তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রকল্পের বিলম্ব অব্যাহত থাকলে ২০২৭ সালে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৪,২৫৬ মেগাওয়াট ক্ষমতা এবং ২.৯ বিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। বিশেষভাবে উত্তরাঞ্চলীয় অঞ্চলে প্রায় ৫,৬৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ঘাটতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ বাজার পরিচালককে (NSMO) জলাধারের পানির স্তর এবং ভাটির দিকের চাহিদা নিয়মিত হালনাগাদ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ আইন সংশোধন করছে, যা জাতীয় সংসদের অধিবেশনে উত্থাপনের অপেক্ষায় রয়েছে। একইসঙ্গে, প্রধানমন্ত্রীকে ইতোমধ্যে পরিকল্পনাভুক্ত প্রকল্পগুলোর কঠোর পর্যবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করতে এবং প্রকল্পের সঠিক বাস্তবায়নের দায়িত্ব স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অর্পণ করার জোরালো সুপারিশ করা হয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Vietnam.vn-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।