৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা বিমানযাত্রীদের জুতার তলা, আচারের বয়াম এবং পায়ুপথ থেকে প্রায় পৌনে তিন কোটি টাকার হীরা, স্বর্ণালংকার ও আইফোন জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এ সময় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে একাধিক যাত্রীকে আটক করা হয়। নিত্যনতুন কৌশলে এই অবৈধ চালান দেশে প্রবেশ করছিল।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসা যাত্রীদের জুতার তলা ও পায়ুপথ থেকে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় স্বর্ণের ডিম ও হীরা উদ্ধার করা হয়।
- উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকার, হীরা ও আইফোনসহ অন্যান্য গ্যাজেটের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় পৌনে তিন কোটি টাকা বলে জানিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর।
- চোরাচালান রোধে কঠোর নজরদারির অংশ হিসেবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সন্দেহভাজন যাত্রীদের তল্লাশি করে আচারের বয়ামের ভেতর থেকে বহুমূল্যবান সামগ্রী জব্দ ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস ও শুল্ক গোয়েন্দাদের যৌথ অভিযানে বিমানযাত্রীদের জুতার তলা, আচারের বয়াম এবং পায়ুপথ থেকে প্রায় পৌনে তিন কোটি টাকার হীরা, স্বর্ণালংকার ও আইফোন জব্দ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা যাত্রীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে অত্যন্ত চতুর ও নতুন কৌশল অবলম্বন করে এই বহুমূল্যবান সামগ্রীগুলো বহন করছিলেন। তল্লাশি চলাকালে স্ক্যানার মেশিনে সন্দেহজনক গতিবিধি ধরা পড়ায় সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের আটক করা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে সোনা চোরাচালানে নিত্যনতুন অভিনব পদ্ধতি ব্যবহারের প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অপরাধীরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরদারি এড়াতে জুতার ভেতরে বিশেষ কম্পার্টমেন্ট তৈরি, খাদ্যের বয়ামের নিচে হীরা লুকিয়ে রাখা এবং শরীরের বিভিন্ন গোপনাঙ্গ তথা পায়ুপথ ব্যবহার করে স্বর্ণের ডিম বহন করছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি এবং আধুনিক স্ক্যানিং প্রযুক্তির কারণে চোরাচালানের এই নতুন কৌশলগুলো একে একে ব্যর্থ করে দেওয়া হচ্ছে।
অভিযানের অংশ হিসেবে আটককৃত যাত্রীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত শুল্ক আইনে বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত এসব বাহক দীর্ঘদিন ধরে এই রুট ব্যবহার করে অবৈধ সোনা ও মূল্যবান ধাতু পাচার করে আসছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মূল হোতাদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।
এই ধরনের বিমানবন্দরকেন্দ্রিক চোরাচালান দেশের অর্থনীতি ও রাজস্ব আয়ের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সরকার ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ চোরাচালান দমনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং শাহজালালসহ দেশের সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নজরদারি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সফল অভিযানগুলো দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাচার রোধ এবং অবৈধ বাণিজ্য দমনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার bdnews24.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।