৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"শক্তিশালী মার্কিন ডলার ও ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা বৃদ্ধির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। মঙ্গলবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১২৮.৮৩ ডলারে নেমেছে। তবে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার না বাড়ানোর প্রত্যাশায় বড় দরপতন এড়ানো সম্ভব হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১২৮.৮৩ ডলারে নেমেছে এবং ফিউচার মার্কেটে তা ৪ হাজার ১৫৫.৯০ ডলারে স্থিতিশীল রয়েছে।
- সোমবার মার্কিন ১০ ও ৩০ বছর মেয়াদি বন্ডের মুনাফা ২৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছালে স্বর্ণের বাজারে বড় ধরনের বিক্রির চাপ সৃষ্টি হয়।
- অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট সিলভারের দাম প্রতি আউন্স ৬০.৬৯ ডলারে এবং প্লাটিনামের দাম ১ হাজার ৭১২.২০ ডলারে নেমে এসেছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
শক্তিশালী মার্কিন ডলার ও ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা বৃদ্ধির তীব্র চাপের মুখে আন্তর্জাতিক বুলিয়ন বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা নিম্নমুখী হয়েছে। রয়টার্সের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ডলার সূচক শক্ত অবস্থান ধরে রাখায় অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের জন্য ডলারভিত্তিক এই মূল্যবান ধাতু ক্রয় ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। তবে চলতি মাসে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার নাও বাড়াতে পারে— এমন জোরালো প্রত্যাশার কারণে স্বর্ণের বাজারে বড় ধরনের কোনো ধস নামেনি।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, গত সোমবার ১০ ও ৩০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা বিগত ২৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর ফলেই মূলত স্বর্ণের বাজারে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা ও বিক্রির চাপ তৈরি হয়। একইসঙ্গে স্পট সিলভারের দাম ০.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬০.৬৯ ডলারে, প্লাটিনামের দাম ০.৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭১২.২০ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১ হাজার ১৬৬.৮৬ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে।
ক্যাপিটাল ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক কাইল রোডা মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের মৌলিক ভিত্তি এখনও অত্যন্ত শক্তিশালী রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংকট এবং বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান অস্থিরতা স্বর্ণের দামের পরবর্তী বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে পারে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রানীতি ও সুদের হার নিয়ে ফেডের আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট হলে বাজারে নতুন করে গতি আসতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি কিছুটা মন্থর হওয়ায় অক্টোবরে সুদের হার বাড়ার আশঙ্কা হ্রাস পেলেও, সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী ডিসেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা এখনও ৮৭ শতাংশ। অর্থনীতির পরিভাষায় সুদের হার বাড়লে স্বর্ণের মতো অনিয়মিত আয়ের সম্পদে বিনিয়োগ ধরে রাখার অপরচুনিটি কস্ট বৃদ্ধি পায়, যা আগামী দিনে বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার চ্যানেল এস-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।