৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ারের প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ছয় শিক্ষক। গত বছর চুয়েটের চার শিক্ষক এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় থাকলেও এবার নতুন দুজন যুক্ত হয়েছেন। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের এসব শিক্ষক তাদের গবেষণার প্রভাব ও সাইটেশনের ভিত্তিতে এই স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ারের যৌথভাবে প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ গবেষকের তালিকায় চুয়েটের ৬ জন শিক্ষক স্থান পেয়েছেন।
- তালিকায় চুয়েটের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তিনজন, রসায়ন বিভাগের একজন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগের একজন শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
- গত বছর চুয়েট থেকে ৪ জন শিক্ষক এই তালিকায় স্থান পেলেও এবার নতুন আরও দুজন যুক্ত হয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়াল ছয়জনে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ারের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ গবেষকের মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ছয়জন শিক্ষক। গত বছর এই তালিকায় চুয়েটের চারজন শিক্ষক থাকলেও এবার নতুন আরও দুজন যুক্ত হয়েছেন। গবেষণার আন্তর্জাতিক মান, সাইটেশন এবং প্রকাশিত গবেষণাপত্রের প্রভাব বিবেচনা করে বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানীদের এই তালিকা তৈরি করা হয়।
বিশ্বের শীর্ষ গবেষকদের এই মূল্যায়নে স্কোপাস ডেটাবেজের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বিজ্ঞানকে ২২টি প্রধান ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপক্ষেত্রে ভাগ করে সি-স্কোরের ভিত্তিতে বিশ্বের শীর্ষ এক লাখ বিজ্ঞানী অথবা নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক উপক্ষেত্রের শীর্ষ দুই শতাংশ গবেষকদের এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। চুয়েটের এই ছয় শিক্ষকের অনন্য অর্জন দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার আন্তর্জাতিক মানোন্নয়নকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে।
তালিকায় স্থান পাওয়া চুয়েট শিক্ষকদের মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ আলী ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে ১ হাজার ৪১৮তম (৮৮টি গবেষণাপত্র), একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন ৪ হাজার ৫৪১তম (৮৭টি গবেষণাপত্র) এবং অধ্যাপক ড. মো. মুক্তার হোসাইন ৫ হাজার ১১৯তম (৮১টি গবেষণাপত্র) অবস্থানে রয়েছেন। এছাড়া রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. ইউনুস আহমেদ সাধারণ রসায়ন উপক্ষেত্রে ৪২৬তম (৩৪টি গবেষণাপত্র), বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিত মজুমদার বিশ্লেষণাত্মক রসায়ন উপক্ষেত্রে ৯৪১তম (২০টি গবেষণাপত্র) এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া নির্ভরযোগ্য শক্তি উপক্ষেত্রে ৭ হাজার ৩৫০তম (৪৪টি গবেষণাপত্র) অবস্থান অর্জন করেছেন।
চুয়েটের শিক্ষকদের ধারাবাহিক এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কেবল বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্যই নয়, বরং পুরো দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের গবেষণা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উৎসাহব্যাঞ্জক। এই অর্জন তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের উন্নত গবেষণা পরিচালনায় অনুপ্রাণিত করবে এবং বৈশ্বিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গবেষকদের গ্রহণযোগ্যতা ও সুনাম আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার bd-pratidin.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।