৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়েরের প্রকাশ করা বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ গবেষকের নতুন তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের ৮৮টি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা খাতে এটি একটি বড় অর্জন। এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ জন শিক্ষক-গবেষকসহ দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শতাধিক গবেষক অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়েরের প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশের মোট ৮৮টি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্থান পেয়েছে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২২ জন এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) থেকে ১৬ জন শিক্ষক-গবেষক এই সম্মানজনক তালিকায় নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
- তালিকায় কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫ জন এবং রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাবিপ্রবি) থেকে ৩ জন শিক্ষক-গবেষক স্থান পেয়েছেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ের যৌথভাবে প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ গবেষক ও বিজ্ঞানীর নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে। এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় বাংলাদেশের ৮৮টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা স্থান পেয়েছেন। দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি অগ্রগতি বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।
প্রতি বছরের মতো এবারও সাইটেশন সূচক, এইচ-ইনডেক্স এবং অন্যান্য গবেষণাভিত্তিক ম্যাট্রিক্সের ওপর ভিত্তি করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন নতুন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকরাও নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করেছেন। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বাধিক ২২ জন এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৬ জন গবেষক এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।
এছাড়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থেকে ৫ জন এবং রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩ জন শিক্ষক-গবেষক এই বিশ্বসেরা তালিকায় স্থান পেয়েছেন। দেশের অন্যান্য প্রখ্যাত পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিজ্ঞানীরাও তাদের গবেষণা কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, যা দেশের সামগ্রিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা খাতের সক্ষমতাকেই ফুটিয়ে তোলে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের গবেষকদের এই উপস্থিতি দেশের শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং ল্যাব সুবিধা আধুনিকায়নের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র্যাঙ্কিং উন্নয়নে এবং বৈশ্বিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎপাদনে এই অর্জন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার The Daily Campus-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।