বিয়ের অনুষ্ঠানের কথা বলে ডেকে নিয়ে দুই নৃত্যশিল্পীকে মাঝনদে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচের কথা বলে ডেকে নিয়ে তিতাস নদীর নৌকায় দুই তরুণী নৃত্যশিল্পীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের একজন বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্তদের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকি অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বিয়ের অনুষ্ঠানে পরিবেশনার নামে চুক্তি করে দুই নৃত্যশিল্পীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদে নৌকায় তুলে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়।
- ভুক্তভোগী নৃত্যশিল্পীদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার (ফরেনসিক টেস্ট) জন্য পাঠানো হয়েছে।
- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচের কথা বলে ডেকে এনে মাঝনদীতে নৌকার ভেতর দুই নৃত্যশিল্পীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের নৃশংস অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের একজন বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, একটি বিয়ের গায়েহলুদ ও বিবাহোত্তর অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশনের জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে ওই দুই নৃত্যশিল্পীকে বায়না করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনা হয়। পরবর্তীতে অভিযুক্তরা একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে অনুষ্ঠানস্থলে নেওয়ার কথা বলে তাদের তিতাস নদে নিয়ে যায়। নির্জন মাঝনদীতে নৌকা থামিয়ে যুবকদের একটি দল তাদের দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পর্যায়ক্রমে পাশবিক নির্যাতন চালায়।
নির্যাতনের শিকার দুই তরুণীকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পাশাপাশি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীদের শারীরিক পরীক্ষার আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, অপরাধের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে নদী ও আশপাশের এলাকায় চিরুনি অভিযান চলছে। এ ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।