৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"চট্টগ্রামের দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএ ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে মেগা প্রকল্পের কাজ ৯৬ শতাংশ সম্পন্ন করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের কাজ আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হবে। পরবর্তীতে আগামী এপ্রিল মাসে প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) কাছে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) উদ্যোগে ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ মেগা প্রকল্পের ৯৬ শতাংশ কাজ বর্তমানে শেষ হয়েছে।
- প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড এবং আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কাজ শেষ করে এপ্রিল মাসে তা চসিকের নিকট হস্তান্তর করা হবে।
- প্রকল্পের আওতায় ১৬৩ কিলোমিটার প্রতিরক্ষা দেয়াল, ১১৫টি সেতু ও কালভার্ট, ২৭টি সিল্ট ট্র্যাপ, ৬টি রেগুলেটর, ২৩.২০ কিলোমিটার নতুন নালা এবং ৩৬.৮৭ কিলোমিটার খালের পাশে সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের দীর্ঘ তিন দশকের দুর্ভোগ ও জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনে অবশেষে আলোর মুখ দেখছে মেগা প্রকল্পটি। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের বাস্তবায়নে এই প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি প্রায় ৯৬ শতাংশ। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে সমস্ত নির্মাণকাজ শেষ করার জোর প্রস্তুতি চলছে এবং আগামী বছরের এপ্রিল মাসে প্রকল্পটি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে।
একনেকের অনুমোদন সাপেক্ষে ২০১৭ সালের ৯ আগস্ট ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি শুরু হলেও পরবর্তীতে করোনা মহামারি ও ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে এর মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি পায়। ২০২৩ সালের নভেম্বরে সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা এবং মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের সিংহভাগ কাজ সম্পন্ন হওয়ায় নগরবাসী এর সুফল পেতে শুরু করেছে।
প্রকল্পের আওতায় বিশাল অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৩ কিলোমিটার প্রতিরক্ষা দেয়াল, ১১৫টি সেতু ও কালভার্ট, ২৭টি সিল্ট ট্র্যাপ, ৬টি রেগুলেটর, ২৩.২০ কিলোমিটার নতুন নালা, ৩৬.৮৭ কিলোমিটার খালের পাশে সড়ক নির্মাণ এবং ৯০.৫০ কিলোমিটার নালা সম্প্রসারণের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইতোমধ্যে ২৬টি খালের শতভাগ এবং ৭টি খালের ৮৭ থেকে ৯৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। রামপুর খালের কাজও প্রায় ৭৫ শতাংশ শেষ হয়েছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর চসিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মতবিনিময় সভায় সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন জানান যে, প্রকল্প হস্তান্তরের আগে কারিগরি জ্ঞান বিনিময় এবং রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ নিয়ে একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। সম্পূর্ণ প্রকল্পটি চসিকের কাছে হস্তান্তরিত হলে এবং রক্ষণাবেক্ষণ যথাযথভাবে পরিচালিত হলে বন্দরনগরীর জলাবদ্ধতা সংকট স্থায়ীভাবে নিরসন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার bd-pratidin.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।