৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ভারতের ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের দেশ ছাড়ার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বম্বে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন বলিউড অভিনেতা ইমরান খান। গত ১০ অক্টোবর মুম্বইয়ের অগাস্ট ময়দানে একটি বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে এই নোটিস দেওয়া হয়। ওিসিআই কার্ডধারী ইমরান কোনো আইন লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট কারণ না দর্শানোর অভিযোগে জরুরি ভিত্তিতে এই আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের পক্ষ থেকে গত ১০ অক্টোবর মুম্বইয়ের অগাস্ট ময়দানের বিক্ষোভ থেকে আটকের পর অভিনেতা ইমরান খানকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
- আইনজীবী জুলফিকর মেমন, পারভেজ মেমন ও চিরাগ নায়েকের মাধ্যমে বম্বে হাইকোর্টে জরুরি ভিত্তিতে এই আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করেছেন অভিনেতা ইমরান খান।
- আমেরিকার নাগরিক এবং ওিসিআই (OCI) কার্ডধারী ইমরান খানের দাবি, তিনি গত ৪০ বছর ধরে ভারতেই বসবাস করছেন এবং কী আইন লঙ্ঘন করেছেন তা নোটিসে স্পষ্ট করা হয়নি।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বলিউড সুপারস্টার আমির খানের ভাগ্নে তথা অভিনেতা ইমরান খান ভারতের ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের (FRRO) দেশ ছাড়ার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। গত ১০ অক্টোবর মুম্বইয়ের ঐতিহাসিক অগাস্ট ময়দানে ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে আয়োজিত একটি বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে আটক করা হয়। এর পরই প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই আদেশের বিরুদ্ধে জরুরি ভিত্তিতে স্থগিতাদেশ চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন তিনি।
আইনজীবী জুলফিকর মেমন, পারভেজ মেমন এবং চিরাগ নায়েকের মাধ্যমে দাখিল করা আবেদনে ইমরান খান উল্লেখ করেছেন যে, তিনি একজন ওিসিআই (OCI) কার্ডধারী এবং আমেরিকার নাগরিক হলেও তাঁর জীবনের সিংহভাগ অর্থাৎ প্রায় ৪০ বছরই কেটেছে ভারতে। মার্কিন নাগরিক হওয়ার কারণে তাঁকে দেশ ছাড়ার নোটিস দেওয়া হলেও অভিবাসন ও বিদেশি আইনের ঠিক কোন ধারা তিনি লঙ্ঘন করেছেন, তা ওই নোটিসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। পাশাপাশি, কোনো রকম পূর্ব নোটিস বা শোকজ ছাড়াই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
ঘটনার জেরে বলিউড মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। আমিরের প্রাক্তন স্ত্রী ও নির্মাতা কিরণ রাও ইতিমধ্যেই ইমরানের পাশে দাঁড়িয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন। তিনি লিখেছেন, যে ব্যক্তি জীবনের ৪০ বছর এই দেশেই কাটিয়েছেন, পড়াশোনা ও কাজ করেছেন, তাঁকে এভাবে আচমকা দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া অত্যন্ত প্রশ্নবিযুক্ত। অন্যদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে বিদেশি নাগরিকদের নির্দিষ্ট আইন ও আন্দোলনের নিয়মের বাইরে গিয়ে রাজনৈতিক বা জনসমাবেশে অংশগ্রহণের সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইমরান খান। সোমবারই জরুরি ভিত্তিতে মামলাটি আদালতে শুনানির জন্য ওঠার কথা রয়েছে। ওিসিআই কার্ডের অধিকার এবং ভারতে দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের আইনি বৈধতা নিয়ে এই মামলার রায় ভবিষ্যতের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইন বিশেষজ্ঞরা।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।