৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের উদ্ভাবনী প্রকল্পে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কুয়েটের গবেষকদের এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন পদ্ধতিতে মানব ও কৃষিবর্জ্য থেকে বায়োক্রুড তেল উৎপাদনের এই প্রযুক্তি বাণিজ্যিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের আমদানিকৃত জ্বালানি তেলের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ প্রতিস্থাপন সম্ভব হবে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- কুয়েটের গবেষকদের উদ্ভাবিত হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন প্রযুক্তির মাধ্যমে মানববর্জ্য, রান্নাঘরের বর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে বায়োক্রুড বা জৈব অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করা হচ্ছে।
- প্রকল্পটি বাণিজ্যিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেলের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হবে, যার ফলে বছরে ৬ হাজার ৫০০ থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।
- গবেষণার পরবর্তী ধাপ হিসেবে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ১০০ থেকে ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
আজ শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের এক যুগান্তকারী উদ্ভাবনী প্রকল্পের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) গবেষক দল এই প্রদর্শনীতে তাদের গবেষণার অগ্রগতি এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তুলে ধরেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বর্জ্য থেকে জৈব অপরিশোধিত তেল উৎপাদনের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
প্রদর্শনীতে তুলে ধরা তথ্যানুযায়ী, হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন (এইচটিএল) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানববর্জ্য, রান্নাঘরের বর্জ্য এবং বিভিন্ন কৃষিজ অবশিষ্টাংশকে কাজে লাগিয়ে উচ্চমানের বায়োক্রুড বা জৈব অপরিশোধিত তেল তৈরি করা হচ্ছে। প্রচলিত জ্বালানির বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব এই প্রযুক্তি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে।
গবেষকদের দাবি, এই প্রকল্প বাণিজ্যিকভাবে সফলভাবে দেশজুড়ে সম্প্রসারণ করা গেলে দেশের মোট আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেলের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাতের আমদানিনির্ভরতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাসের পাশাপাশি প্রতিবছর আনুমানিক ৬ হাজার ৫০০ থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সম্ভাবনা পুরোপুরি যাচাই করতে বর্তমানে ১০০ থেকে ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন জ্বালানি আমদানির বিশাল ব্যয় কমবে, অন্যদিকে বর্জ্যকে মূল্যবান অর্থনৈতিক সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি এটি দেশে নতুন শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা বহুগুণে জোরদার করবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার এখন টিভি-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।