জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৪৮ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। সফরসঙ্গী ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান। এ সময় দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফর শেষে গত ২৯ অক্টোবর দিবাগত রাত ২টা ৪৮ মিনিটে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
- সফরকালে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার আগে তিনি দেশটির শীর্ষ করপোরেট ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে বিনিয়োগ বৈঠক করেন।
- হ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সফল সরকারি সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ২৯ অক্টোবর দিবাগত রাত ২টা ৪৮ মিনিটে তাঁকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের নিয়মিত ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। বিমান বন্দরে পৌঁছানোর পর তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।
এর আগে গত ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যান প্রধানমন্ত্রী। সফর চলাকালে তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বাড়ানোর বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়। এছাড়া জাপানের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন তিনি।
জাপানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে জাপানিদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন। সফরকালে তিনি টোকিওতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির আয়োজিত এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও যোগ দেন এবং প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন ও দেশের উন্নয়নে তাঁদের অবদানের প্রশংসা করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই জাপান সফর বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন, হাই-টেক পার্ক ও বাণিজ্যে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।