লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষককে গাছের সঙ্গে বাঁধল জনতা

প্রতিবেদক / উৎস: প্রথম আলো | তারিখ: 02 অক্টোবর 2026, 06:52 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 48 বার পঠিত
ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষককে গাছের সঙ্গে বাঁধল জনতা
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"ফরিদপুরে এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. জাহিদ হোসেন নামের এক শিক্ষককে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে পুলিশে সোপর্দ করে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, মাদ্রাসার আবাসিক কক্ষে এই যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর অভিভাবক বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • ফরিদপুর জেলার একটি কওমি মাদ্রাসার আবাসিক কক্ষে ১২ বছর বয়সী এক ছাত্রকে বলাৎকারের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।
  • অভিযুক্ত শিক্ষক মো. জাহিদ হোসেনকে স্থানীয় জনতা হাতেনাতে আটক করে এবং ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন।
  • খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং ভিকটিম ছাত্রকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

ফরিদপুরে একটি আবাসিক মাদ্রাসায় এক ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক মো. জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে। এই জঘন্য অপরাধের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, শিক্ষক জাহিদ দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসার আবাসিক হলের আড়ালে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, নির্যাতিত ছাত্রটি ওই মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিল। রাতের কোনো এক সময়ে শিক্ষক জাহিদ হোসেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওই ছাত্রকে নিজের কক্ষে ডেকে নেন এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে বলাৎকার করেন। পরে শিশুটি কোনোমতে পালিয়ে অন্য ছাত্রদের বিষয়টি জানালে পুরো ঘটনা জানাজানি হয়। এর পরেই ফুঁসে ওঠে স্থানীয় এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জনতার হাতে আটকের পর অভিযুক্ত শিক্ষক নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করার চেষ্টা করেন এবং ক্ষমার আকুতি জানান। তবে উত্তেজিত জনতা আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে দ্রুত পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত জাহিদ হোসেনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। ভিকটিম ছাত্রটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় শিশুটির পরিবার ও স্থানীয় সমাজকর্মীসহ সাধারণ মানুষ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং মাদ্রাসার শিক্ষক নামের কলঙ্কদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দেশের সকল কওমি ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং শিক্ষকদের মানসিক স্বাস্থ্য যাচাইয়ের ওপর কঠোর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ