লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ
ব্রেকিং আইন ও অপরাধ

ছেলে হত্যার আসামিরা জামিনে এসে বাবাকে মেরে ফেললো, আর মামলা করতে চাই না

প্রতিবেদক / উৎস: বাংলা ট্রিবিউন | তারিখ: 06 অক্টোবর 2026, 03:56 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 59 বার পঠিত
ছেলে হত্যার আসামিরা জামিনে এসে বাবাকে মেরে ফেললো, আর মামলা করতে চাই না
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"খুলনায় ছেলের হত্যার বিচার চাইতে গিয়ে গত মঙ্গলবার বিএনপি নেতা মো. রফিকুল ইসলামকে গুলি করে হত্যা করেছে মামলার আসামিরা। এর মাত্র ৫০ দিন আগে তার ছেলে শান্তকেও হত্যা করা হয়েছিল। বারবার হুমকি ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরও পুলিশের কার্যকর ভূমিকা না থাকায় বিচার পাওয়ার আগেই এ Double Murder-এর ঘটনা ঘটল।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • খুলনায় ছেলে শান্ত হত্যার ঠিক ৫০ দিনের মাথায় গত মঙ্গলবার বিএনপি নেতা ও বাবা মো. রফিকুল ইসলামকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে আসামিরা।
  • এর আগে আসামিদের কাছ থেকে প্রাণনাশের হুমকি পেয়ে নিহতের পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
  • পরিবারের পক্ষ থেকে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, পুলিশ বা প্রশাসনের ওপর ভরসা হারিয়ে তারা আর কোনো মামলা বা আইনি লড়াইয়ে যেতে চান না।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

খুলনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও অপরাধীদের বেপরোয়া তাণ্ডবের এক মর্মান্তিক নজির স্থাপিত হলো। ছেলে হত্যার মাত্র ৫০ দিনের মাথায় এবার বাবা বিএনপি নেতা মো. রফিকুল ইসলামকে গুলি করে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ ও মামলার জামিনপ্রাপ্ত আসামিরা। গত মঙ্গলবার সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রকাশ্য দিবালোকে এমন নারকীয় ঘটনায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে স্থানীয় জনতা ও নিহতের স্বজনরা।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে দেড় মাস আগে, যখন রফিকুল ইসলামের ছেলে শান্তকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর আসামিরা জামিনে মুক্ত হয়ে আসে। জামিনে এসেই তারা মামলা তুলে নিতে এবং সমঝোতা করতে রফিকুল ইসলামকে বিভিন্নভাবে চাপ ও প্রাণনাশের হুমকি দিতে শুরু করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে জীবনের চরম নিরাপত্তা চেয়ে রফিকুল ইসলাম স্থানীয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন বলে জানা যায়।

তবে অভিযোগ উঠেছে, জিডি করার পরও পুলিশ কোনো ধরনের দৃশ্যমান পদক্ষেপ বা সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয়নি। স্থানীয়দের মতে, যদি সময়মতো পুলিশ প্রশাসন তৎপর হতো এবং আসামিদের পুনরায় আইনের আওতায় এনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেত, তবে এই ডাবল মার্ডারের পুনরাবৃত্তি হতো না। খোদ পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে এখন তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে সচেতন মহলে।

ঘটনার পর নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিচার পাওয়ার আকুতি হারিয়ে এখন শোকার্ত পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়ে বলছেন, 'যা পারে এবার পুলিশ করবে, আমরা আর কোনো মামলা করতে চাই না।' এই পৈশাচিক ঘটনা দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং মামলার সাক্ষীদের নিরাপত্তার বিষয়টিকেই নতুন করে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার বাংলা ট্রিবিউন-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ