শিলিগুড়িতে আইআইটি বা আইআইএম প্রতিষ্ঠার বড় ঘোষণা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে মেধার ভিত্তিতে আরও এক লক্ষ যুবক-যুবতীকে চাকরি দেওয়া হবে। রায়গঞ্জে এইমস, জলপাইগুড়িতে ক্যানসার হাসপাতাল এবং একাধিক জেলায় নতুন মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি রাজ্যবাসীর সার্বিক উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- শিলিগুড়িতে আইআইটি (IIT) অথবা আইআইএম (IIM) প্রতিষ্ঠার জন্য উপযুক্ত জমি দেখা হচ্ছে বলে ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
- আগামী কয়েক মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গের ১ লক্ষ বেকার যুবক-যুবতীকে সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
- রায়গঞ্জে এইমস (AIIMS), জলপাইগুড়িতে ক্যানসার হাসপাতাল এবং বালুরঘাট, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে নতুন মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
শিলিগুড়ি সফরকালে রাজ্যের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান নিয়ে একগুচ্ছ বড় ঘোষণা করেছেন রাজনৈতিক নেতৃত্ব। বিশেষ করে শিলিগুড়িকে উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক ও শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আইআইটি কিংবা আইআইএমের মতো শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। শিলিগুড়ির ভৌগোলিক ও কৌশলগত গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে এখানে বড় মাপের বিনিয়োগ ও প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ তৈরি করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রায়গঞ্জে এইমস স্থাপন, জলপাইগুড়িতে বিশেষায়িত ক্যানসার হাসপাতাল নির্মাণ এবং বালুরঘাট, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ার জেলায় নতুন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল চালু করা। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গ অঞ্চলের চিকিৎসাসেবা ও উচ্চশিক্ষার মান আমূল পরিবর্তিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কর্মসংস্থানের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানানো হয়েছে যে, ইতিমধ্যে ১১ হাজার পুলিশের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি আগামী কয়েক মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে স্বচ্ছ পরীক্ষার মাধ্যমে আরও এক লক্ষ বেকারের চাকরি নিশ্চিত করবে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার। পাশাপাশি গ্র্যাজুয়েট ও নন-গ্র্যাজুয়েট উভয়ের জন্যই 'ভরসা স্কিম' চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এই বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে শুধু কর্মসংস্থানই তৈরি হবে না, বরং পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজ রাজ্যে ফিরে আসার পথ সুগম হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সূর্যঘর যোজনা, জন-ঔষধী কেন্দ্র এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলো সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।