৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কংগ্রেস ও ইন্ডিয়া জোট। গত ৭ ডিসেম্বর যন্তর মন্তরে যাওয়ার পথে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ বিরোধী সাংসদদের আটকাল পুলিশ। পুলিশি হেনস্থা ও আটকের প্রতিবাদে আজ ব্লকে ব্লকে আন্দোলন চলছে। আগামী কাল ১০ জন নেতার প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি দেবে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং গত ৭ ডিসেম্বরের পুলিশি হেনস্থার প্রতিবাদে দেশজুড়ে ব্লক স্তরে 'গণতন্ত্র বাঁচাও' কর্মসূচি পালন করছে কংগ্রেস।
- গত ৭ ডিসেম্বর যন্তর মন্তর অভিমুখে যাওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ শীর্ষস্থানীয় বিরোধী সাংসদদের আটক করে যথাক্রমে বারাখাম্বা থানা ও ছত্রশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ।
- পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ইন্ডিয়া জোটের ১০ জন শীর্ষ নেতা আগামীকাল মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি প্রদান করবেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন তীব্র করেছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস ও ইন্ডিয়া জোট। রাজধানী নয়াদিল্লিসহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে আজ ব্লকে ব্লকে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। বিহারে এই দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে 'লোকভবন চলো' অভিযানের ডাক দিয়েছেন তেজস্বী যাদব। মূলত নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবং বিরোধীদের গণতান্ত্রিক অধিকারে হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনে এই বৃহত্তর আন্দোলনের সূচনা হয়েছে।
গত ৭ ডিসেম্বর দিল্লির রাজপথে এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বদ্রা এবং অন্যান্য বিরোধী সাংসদদের পথ আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানোর সময় পুলিশ ও সাংসদদের মধ্যে তুমুল ধস্তাধস্তি হয়। মহিলা সাংসদদের হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ বেশ কয়েকজন নেতা রাস্তার ওপর বসে পড়ে প্রতিবাদ জানান। পরে পুলিশ রাহুল গান্ধীকে আটক করে বারাখাম্বা থানায় এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে ছত্রশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যায়, যেখান থেকে রাতে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।
পুলিশি এই বলপ্রয়োগ ও আটকের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্ব একে গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আক্রমণ বলে অভিহিত করেছেন। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী অভিযোগ করেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে চাওয়ায় নির্বাচিত সাংসদদের সঙ্গে অগণতান্ত্রিক আচরণ করা হয়েছে এবং তাদের রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ দেশজুড়ে কংগ্রেস ও ইন্ডিয়া জোটের নেতাকর্মীরা আরও জোরালোভাবে রাজপথে নেমেছেন এবং সাধারণ মানুষের সমর্থন আদায়ে কর্মসূচি পালন করছেন।
বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে এবং নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে আগামী কাল ইন্ডিয়া জোটের ১০ জন প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির দারস্থ হবেন। রাষ্ট্রপতির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মারকলিপি পেশ করে পুরো ঘটনার বিচার ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আন্দোলন আসন্ন জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র মেরুকরণ সৃষ্টি করবে এবং নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে তুলবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।