লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫১ টন ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক ধ্বংস শুরু

প্রতিবেদক / উৎস: দ্য ডেইলি স্টার বাংলা | তারিখ: 03 অক্টোবর 2026, 06:56 বিকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 83 বার পঠিত
চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫১ টন ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক ধ্বংস শুরু
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"চট্টগ্রাম বন্দরের ৯টি কনটেইনারে পড়ে থাকা ১৫১ টন মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু করেছে কাস্টমস হাউস। ২০০৩ সাল থেকে পড়ে থাকা এসব পদার্থের মধ্যে রয়েছে সালফিউরিক অ্যাসিড, নাইট্রিক অ্যাসিড, মিথানল ও থিনার। আজ শনিবার সকালে পুলিশ পাহারায় সেগুলো নারায়ণগঞ্জের ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডে পাঠানো হয়। পরিবেশঝুঁকি ও কনটেইনার জট কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে ২০০৩ সাল থেকে পড়ে থাকা মোট ১৫১ টন মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক ধ্বংসের জন্য আজ শনিবার সকালে নারায়ণগঞ্জের ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডের উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে।
  • ধ্বংস করা হচ্ছে এমন রাসায়নিকের মধ্যে রয়েছে ২৫ দশমিক ৫৫ টন সালফিউরিক অ্যাসিড, ৫০০ কেজি নাইট্রিক অ্যাসিড, ৯২ দশমিক ৫৪ টন মিথানল এবং ৩২ দশমিক ৩০ টন থিনার।
  • বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) সুপারিশ এবং কাস্টমস ধ্বংস কমিটির যৌথ উদ্যোগে পুলিশ পাহারায় সম্পূর্ণ পরিবেশসম্মত উপায়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে পড়ে থাকা ১৫১ টন মেয়াদোত্তীর্ণ ও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক পদার্থ ধ্বংসের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ শনিবার সকালে কঠোর পুলিশ পাহারায় রাসায়নিকবাহী যানগুলো চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। আমদানির পর দীর্ঘদিন ধরে খালাস না করায় এসব রাসায়নিক বন্দর এলাকায় পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরির পাশাপাশি কনটেইনার জটও বাড়িয়ে চলেছিল।

কাস্টমস সূত্র জানায়, ২০০৩ সাল থেকে বন্দরে আটকে থাকা এসব বিপজ্জনক উপকরণের মধ্যে রয়েছে ২৫ দশমিক ৫৫ টন সালফিউরিক অ্যাসিড, ৫০০ কেজি নাইট্রিক অ্যাসিড, ৯২ দশমিক ৫৪ টন মিথানল এবং ৩২ দশমিক ৩০ টন থিনার। দীর্ঘ মেয়াদে খোলা আকাশের নিচে বা কনটেইনারে আবদ্ধ থাকায় এগুলো অত্যন্ত জারণক্ষম ও বিপজ্জনক হয়ে পড়েছিল, যা বন্দরের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্যও বড় হুমকি ছিল।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার মো. রাসেল আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) সুনির্দিষ্ট সুপারিশ এবং বন্দর ধ্বংস কমিটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জের ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় সম্পূর্ণ পরিবেশসম্মত ও বিধিসম্মত উপায়ে এই বিশাল পরিমাণ রাসায়নিক পুড়িয়ে বা প্রক্রিয়াজাত করে নিষ্কাশন করা হচ্ছে।

এই উদ্যোগের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের দীর্ঘদিনের কনটেইনার জট যেমন হ্রাস পাবে, তেমনি বন্দর এলাকা ও সংলগ্ন জনবসতির সম্ভাব্য বড় ধরনের পরিবেশগত বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, বন্দরের অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী অবমুক্ত কনটেইনার ও বিপজ্জনক পণ্য অপসারণেও এই পদক্ষেপ একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দ্য ডেইলি স্টার বাংলা-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ