লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

Cyclone Arnab: ঘূর্ণিঝড় অর্ণব-এর পর লাল সতর্কতা, ঝড়ের তাণ্ডবে তছনছ সব, বাড়ছে মৃত্যু, চলছে

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 31 অক্টোবর 2026, 06:20 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 73 বার পঠিত
Cyclone Arnab: ঘূর্ণিঝড় অর্ণব-এর পর লাল সতর্কতা, ঝড়ের তাণ্ডবে তছনছ সব, বাড়ছে মৃত্যু, চলছে
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

ঘূর্ণিঝড় 'অর্ণব'-এর প্রভাবে ওড়িশায় প্রবল বৃষ্টি, বন্যা ও ধসে ৯ মাসের শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। কন্ধমল ও গঞ্জাম জেলায় পরিস্থিতি সবচেয়ে মারাত্মক। ২৩ হাজারের বেশি মানুষকে ত্রাণ শিবিরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি নিহতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছেন এবং উদ্ধারকাজে এনডিআরএফ ও নৌবাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • কন্ধমল জেলায় ভয়াবহ ধসের ঘটনায় ৯ মাসের এক শিশুকন্যাসহ একই পরিবারের তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন, যাঁদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি।
  • গঞ্জাম, গজপতি ও কন্ধমল জেলার নদীগুলির জলস্তর উপচে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে বা বিভিন্ন ত্রাণ শিবিরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
  • দুর্যোগ মোকাবিলায় রাজ্য প্রশাসনের পাশাপাশি জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF), ওড়িশা বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (ODRAF), দমকল বাহিনী এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

ঘূর্ণিঝড় 'অর্ণব'-এর প্রত্যক্ষ প্রভাব কেটে গেলেও তার প্রভাবে ওড়িশার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে চলছে চরম বিপর্যয়। প্রবল বৃষ্টি, বন্যা এবং একের পর এক ধসে কার্যত বিপর্যস্ত দক্ষিণ ওড়িশার জনজীবন। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের জেরে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে অন্তত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে কন্ধমল জেলায়, যেখানে পাহাড় ধসে একটি পরিবারের তিন সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি চালানো হচ্ছে।

শুক্রবার কন্ধমল জেলায় অবিরাম বর্ষণের ফলে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে স্থানীয় একটি বসতবাড়ির উপর আছড়ে পড়ে। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান এক দম্পতি এবং তাঁদের মাত্র ৯ মাসের সন্তান। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে অলৌকিকভাবে দু'জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এই ট্র্যাজেডিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি অবনতি হয়েছে গঞ্জাম, গজপতি এবং কন্ধমল জেলায়। গঞ্জাম জেলার সোরাদা, আসিকা, ভঞ্জনগর ও পুরুষোত্তমপুর এলাকায় রুশিকুল্যা নদীর জল উপচে লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে। বহু গ্রাম প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি রাস্তাঘাট ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্য সরকারের পাশাপাশি মাঠে নেমেছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ওড়িশার প্রধান সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে, ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষকে ইতিমধ্যেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে ২৩টি ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত দুর্গম অঞ্চলগুলোতে আকাশপথে খাবার ও বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দিতে ভারতীয় নৌবাহিনী ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর কপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ওড়িশা সফর অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি নিজে ফোন করে মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝির কাছে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নিয়েছেন।

প্রাকৃতিক তাণ্ডবে কলকাতা-চেন্নাই সংযোগকারী ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের কিছু অংশে বাহুদা নদীর জল উঠে যান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হলেও বর্তমানে জল কমায় যোগাযোগ আংশিক স্বাভাবিক হয়েছে। রেল পরিষেবাও ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছে। তবে লক্ষাধিক মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত। প্রশাসনের এখন প্রধান অগ্রাধিকার হলো জলবন্দি মানুষদের উদ্ধার করা, পানীয় জল ও চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ করা এবং ভেঙে যাওয়া পরিকাঠামো দ্রুত মেরামত করা।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ