৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়েছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মোট আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৪৪২ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২ হাজার ১৬৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং মারা গেছেন ৪ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩০৭ জনে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১ হাজার ৪৪২ জনে পৌঁছেছে, যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ১৬৭ জন।
- গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যুর ফলে এ বছর মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৭ জনে।
- বিশেষজ্ঞদের মতে, এ বছর ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে শক সিনড্রোম জটিলতা বেশি দেখা যাচ্ছে, যার ফলে দ্রুত রক্তচাপ কমে গিয়ে মৃত্যুঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে দুই হাজার ১৬৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর মোট সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে ১ লাখ ১ হাজার ৪৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে, যার ফলে চলতি বছরে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৭ জনে উন্নীত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে (সিটির বাইরে) সর্বোচ্চ ৪৮৪ জন, খুলনা বিভাগে ২৯৮ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ২৮৭ জন ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৪০ জন এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৪৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন মাসে মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার মধ্যে কেবল সেপ্টেম্বর মাসেই ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে 'শক সিনড্রোম' জটিলতা অত্যন্ত প্রকট আকার ধারণ করেছে। আক্রান্তদের অনেকেরই দ্রুত রক্তচাপ কমে যাওয়ার পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে রক্ত চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং কোষে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো মারাত্মক সংকট তৈরি হচ্ছে, যা চিকিৎসাকে আরও জটিল করে তুলছে।
অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট তাপমাত্রার ওঠানামাকে এডিস মশার বংশবিস্তারের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন কীটতত্ত্ববিদরা। যথাযথ সময়ে রোগীরা হাসপাতালে না আসায় এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু না করায় মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে মশকনিধন ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক যুগান্তর-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।