দেশের বাজারে টানা কয়েক দফা বাড়ার পর এবার স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ভালো মানের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৯৩ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তেজাবী স্বর্ণের দাম কমার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণ বা পেমেন্ট সোনার দাম হ্রাসের কারণে এই মূল্য সংযোজন বা কমানোর কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জুয়েলার্স সমিতি।
- নতুন এই দাম দেশের সকল বাজারে অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে এবং ক্রেতারা নির্ধারিত নতুন মূল্যে স্বর্ণ ক্রয় করতে পারছেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশের বাজারে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দামে স্বস্তি ফিরেছে। টানা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পর এবার স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণে ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়েছে, যার ফলে এখন এই মানের স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৯৩ টাকা। এর আগে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বেশ কয়েকবার বাড়ানো হয়েছিল।
স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমার কারণে বাজুস এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত কয়েকদিনের বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক bullion মার্কেটের ওঠানামার প্রভাব সরাসরি দেশের বাজারেও পড়ছে। জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট এবং ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দামও আনুপাতিক হারে কমানো হয়েছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়েছে।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের বুলিয়ন মার্কেটের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। তবে স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে এবং বাজারে এর আগের নির্ধারিত মূল্যই বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্বর্ণের এই দাম কমার ফলে দেশের জুয়েলারি ব্যবসায় স্থবিরতা কাটবে এবং সাধারণ মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা কিছুটা নাগালের মধ্যে আসবে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও মুদ্রাস্ফীতির কারণে আগামী দিনগুলোতে সোনার বাজারে এই ধরনের ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।