লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

ঢাকা-কুমিল্লা নতুন উড়াল রেলপথ: চট্টগ্রামের দূরত্ব কমবে ৮০ কিমি, ব্যয় প্রায় ৮৪ হাজার কোটি টাকা

প্রতিবেদক / উৎস: প্রথম আলো | তারিখ: 13 অক্টোবর 2026, 11:36 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 54 বার পঠিত
ঢাকা-কুমিল্লা নতুন উড়াল রেলপথ: চট্টগ্রামের দূরত্ব কমবে ৮০ কিমি, ব্যয় প্রায় ৮৪ হাজার কোটি টাকা
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"ঢাকা থেকে কুমিল্লা হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত নতুন উড়াল রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রায় ৮৪ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে নির্মিতব্য এই প্রকল্পে ঢাকা-চট্টগ্রামের দূরত্ব ৮০ কিলোমিটার কমবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ট্রেন চলাচলের সময় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে এবং দেশের প্রধান দুই শহরের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় ৮৪ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের রেলওয়ে খাতের অন্যতম বৃহৎ অবকাঠামো বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
  • নতুন এই উড়াল রেলপথ নির্মাণের ফলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে বিদ্যমান রেলপথে দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার হ্রাস পাবে।
  • প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন ভ্রমণের সময় বর্তমানের তুলনায় অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা কমে আসবে বলে রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন ও দ্রুতগতির যোগাযোগ নিশ্চিত করতে সরকার একটি উচ্চাভিলাষী উড়াল রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ঢাকা থেকে কুমিল্লা হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই নতুন রেলপথটি নির্মিত হলে দুই শহরের মধ্যকার বিদ্যমান দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমে আসবে। প্রায় ৮৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমানে সম্ভাব্যতা যাচাই ও নকশা প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে, যা দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেনগুলোকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়, যার ফলে সময় ও জ্বালানি ব্যয় উভয়ই বেশি। নতুন উড়াল রেলপথটি নির্মিত হলে ট্রেনগুলো সরাসরি ও দ্রুতগতিতে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। এই প্রকল্পের আওতায় আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা এবং উচ্চগতির ট্রেন চলাচলের উপযোগী অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এটি মূলত দেশের ক্রমবর্ধমান পণ্য ও যাত্রী পরিবহনের চাহিদা মেটাতে একটি দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরে রেলের সক্ষমতা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, এই উড়াল রেলপথটি চালু হলে সড়কপথের ওপর চাপ কমবে এবং পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে। এছাড়া, কুমিল্লার মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলো এই রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসায় স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন কর্মসংস্থান ও বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

পরিশেষে, এই মেগা প্রকল্পটি বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত হওয়ার ফলে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে। প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পন্ন হলে তা দেশের পরিবহন খাতে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে এবং দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক কানেক্টিভিটিতেও বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুসংহত করবে।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ