৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে অনিয়ম ও দুর্নীতি দূর করতে লটারির মাধ্যমে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার সকালে আইন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলার ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৮টি পদের বিপরীতে ১৮ জন সাব-রেজিস্ট্রারকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয়। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, সারা দেশে ৩৭২টি পদের মধ্যে বর্তমানে ১৩৯টি পদ খালি রয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- আইন মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলার ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৮টি সাব-রেজিস্ট্রার পদের জন্য লটারির মাধ্যমে ১৮ জনকে নির্বাচিত করা হয়।
- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, সারা দেশে মোট ৩৭২টি সাব-রেজিস্ট্রার পদের বিপরীতে বর্তমানে ১৩৯টি পদ শূন্য রয়েছে।
- বদলিকৃত কর্মকর্তারা সর্বদা কঠোর নজরদারিতে থাকবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাত্ক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দূর করতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় লটারির মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম শুরু করেছে আইন মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার সকালে আইন মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৮টি সাব-রেজিস্ট্রার পদের জন্য লটারির মাধ্যমে ১৮ জন কর্মকর্তাকে চূড়ান্ত করা হয়। সরকারের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর সর্বাধিক জোর দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে সাব-রেজিস্ট্রারদের বদলি ও পদায়ন নিয়ে নানা মহলে নেতিবাচক আলোচনা ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্যই মন্ত্রণালয় এই কঠোর ও নিরপেক্ষ পদ্ধতি বেছে নিয়েছে। অনুষ্ঠানে নির্বাচিত ১৮ জন কর্মকর্তাকে তাদের পেশাগত যোগ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাজের ব্যাপক চাপের ওপর ভিত্তি করে ঢাকা জেলার বিভিন্ন কৌশলগত স্থানে পদায়ন করা হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান স্পষ্ট ভাষায় বলেন, সরকারি দপ্তরে দুর্নীতির যে কালো আখড়া তৈরি হয়েছে, বর্তমান সরকার তা যেকোনো মূল্যে ভাঙতে বদ্ধপরিকর। লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলির এই সিদ্ধান্ত সেই প্রতিশ্রুতিরই একটি অংশ। এ সময় তিনি আরও জানান, সারা দেশে বর্তমানে মোট ৩৭২টি সাব-রেজিস্ট্রার পদের মধ্যে ১৩৯টি পদই শূন্য রয়েছে, যা জনসেবায় কিছুটা হলেও বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।
লটারির মাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত নতুন কর্মকর্তাদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়ে আইনমন্ত্রী সতর্ক করেন যে, তারা প্রত্যেকেই এখন থেকে সরকারের নিবিড় নজরদারিতে থাকবেন। কর্মস্থলে যোগদানের পর যদি কারও বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে বিন্দুমাত্র ছাড় না দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষ হয়রানিমুক্ত পরিবেশে সেবা পাবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক যুগান্তর-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।