৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"দক্ষিণ কলকাতার জনপ্রিয় সাউথ সিটি মলে প্রথমবারের মতো ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপুজোর বর্ণাঢ্য সূচনা হয়েছে। গত ১৫ অক্টোবর সকালে ১০৮ জন ঢাকির সমবেত ঢাকের আওয়াজ এবং পুরুলিয়ার ছৌ নাচের ছন্দে এই উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। বাংলার লোকশিল্প ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে 'যাত্রা' থিমের ওপর নির্মিত এই আয়োজন দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- দক্ষিণ কলকাতার সাউথ সিটি মলে এই প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়েছে, যার মূল থিম নির্ধারণ করা হয়েছে 'যাত্রা'।
- গত ১৫ অক্টোবর সকালে একসঙ্গে ১০৮ জন ঢাকি ঢাক বাজিয়ে এবং পুরুলিয়ার ঐতিহ্যবাহী ছৌ নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে এই উৎসবের সূচনা করেন।
- সাউথ সিটি মলের সেন্টার ডিরেক্টর দীপাস এই আয়োজনে ক্রেতা, দর্শনার্থী ও কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
কেনাকাটা ও বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ কলকাতার সাউথ সিটি মল প্রথমবারের মতো জমজমাট দুর্গাপুজোর আয়োজন করে শহরবাসীকে চমকে দিয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে তিলোত্তমাবাসীর পারিবারিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে থাকা এই মলটি দর্শনার্থীদের ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবে এবার উৎসবে যোগ দিয়েছে। গত ১৫ অক্টোবর সকালে ১০৮ জন ঢাকি একসঙ্গে ঢাক বাজিয়ে এই পূজার শুভ সূচনা করেন, যা পুরো চত্বরে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে।
এবারের পুজোর মূল থিম হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে 'যাত্রা'। এই থিমের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বাংলার হাট-বাজারের বিবর্তন, দুর্গাপুজোর সর্বজনীন শিল্পকলায় রূপান্তর, প্রাচীন আচার-অনুষ্ঠান এবং বাংলার সুপ্রাচীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। শুধু ঢাকের বাদ্যই নয়, উদ্বোধনী দিনে পরিবেশিত হয় পুরুলিয়ার ঐতিহ্যবাহী ছৌ নৃত্য, যা বাংলার সমৃদ্ধ লোকশিল্পের ধারাকে দর্শকদের সামনে নতুনভাবে তুলে ধরে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাউথ সিটি মলের সেন্টার ডিরেক্টর দীপাস জানান, এই আয়োজনের মূল প্রাণ হলেন এর সঙ্গে জড়িত শিল্পী, কারিগর ও পরিবেশনশিল্পীরা। তিনি বলেন, 'আমাদের কর্মী, ভক্ত, ক্রেতা এবং দর্শনার্থীদের উপস্থিতি এই আয়োজনকে অত্যন্ত প্রাণবন্ত করে তুলবে।' মণ্ডপ সাজসজ্জা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় বাংলার লোকসংস্কৃতির নানা উপাদান নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই মলটিতে পুজো শুরুর ফলে ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা কেনাকাটার পাশাপাশি ঐতিহ্যের ছোঁয়াও উপভোগ করতে পারছেন। এই অভিনব উদ্যোগ তিলোত্তমাবাসীর শারদীয় উৎসবের আমেজকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে এবং ভবিষ্যৎ সংস্কৃতির ধারায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Ei Samay-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।