৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ভারতের নাগরিকত্ব নিয়ে চলা বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে প্রখ্যাত ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তিনি সম্পূর্ণ ভারতীয় নাগরিক এবং ভবিষ্যতেও তাই থাকবেন। শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে যোগ দেওয়ার প্রাক্কালে গুরুগ্রামের বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। রবিবার সকালে ছাড়া পাওয়ার পর ভিডিও বার্তায় তিনি নিজের পাসপোর্ট প্রদর্শন করে সব জল্পনার অবসান ঘটান।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- প্রখ্যাত ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী নিজের পাসপোর্ট দেখিয়ে নিশ্চিত করেছেন যে তিনি ভারতীয় নাগরিক এবং ভারতের নাগরিক হিসেবেই সমস্ত আইনি অধিকার প্রয়োগ করবেন।
- শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে যোগ দেওয়ার ঠিক আগে গুরুগ্রামের বাসভবন থেকে তাকে আটক করা হয় এবং রবিবার সকালে তিনি মুক্তি পান।
- মুক্তির পর দেওয়া ভিডিও বার্তায় ধ্রুব অভিযোগ করেছেন যে, পুলিশ বা উর্দিধারী ছাড়াই কিছু লোক তাকে ঘুম থেকে তুলে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় এবং তার ও তার পরিবারের মোবাইল ফোন জব্দ করে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
নাগরিকত্ব নিয়ে চলা তীব্র বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে বিশিষ্ট ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী ঘোষণা করেছেন যে তিনি ভারতের নাগরিক এবং ভবিষ্যতেই এই দেশেই থাকবেন। শনিবার দিল্লির যন্তরমন্তরে 'ককরোচ জনতা পার্টি'র একটি পূর্বনির্ধারিত আন্দোলনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তার আগেই গুরুগ্রামের বাসভবন থেকে তাঁকে আটক করা হয়। দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টার আইনি ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর রবিবার সকালে তিনি মুক্তি পান এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন।
উচ্চশিক্ষার সুবাদে অতীতে ভারত থেকে জার্মানি পাড়ি দেওয়া এবং বর্তমানে সেখানে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করার সুবাদে তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন তুলছিলেন সমালোচকরা। অনেকেই দাবি করছিলেন যে তাঁর কাছে অন্য দেশের পাসপোর্ট রয়েছে, যার ফলে তিনি ভারতে রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অধিকার রাখেন না। এই সমস্ত গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়ে ধ্রুব রাঠী তাঁর ভারতীয় পাসপোর্ট ক্যামেরার সামনে প্রদর্শন করেন এবং জানান যে তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে ছড়ানো সমস্ত তথ্যই সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
মুক্তির পর দেওয়া ওই ভিডিও বার্তায় ধ্রুব চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করে বলেন যে, তাঁকে কেবল আটকই করা হয়নি, বরং তাঁর ওপর চড়াও হয়ে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাঁর দাবি, শনিবার সকালে যখন তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন কোনো ধরনের উর্দি ছাড়াই কিছু লোক তাঁর বাড়িতে প্রবেশ করেন এবং তাঁর মাকে ধাক্কা দিয়ে তাঁকে সিঁড়ি দিয়ে টেনেহিঁচড়ে নিচে নামান। এমনকি পায়ে জুতো পরার বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলারও সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া তাঁর এবং তাঁর বাবা-মায়ের মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয় বলে জানান এই ইউটিউবার।
ধ্রুব রাঠীর এই আটকের ঘটনা এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর নাগরিকত্ব প্রমাণের বিষয়টি ভারতীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। একদিকে যখন তাঁর সমালোচকরা এই বিষয়ে নানা প্রশ্ন তুলছিলেন, অন্যদিকে তাঁর অনুসারীরা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের সমর্থকরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত ধ্রুব রাঠীর এই গুরুতর অভিযোগগুলোর বিষয়ে দিল্লি বা গুরুগ্রাম পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।