৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটকের এক দিন পর শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ায় শনিবার তাঁকেসহ প্রায় সাত হাজার আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছিল। রবিবারের শর্তানুযায়ী তিনি দিল্লির যন্তরমন্তর এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন না।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- শনিবার গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এর বাসভবন থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং ক্রাইম ব্রাঞ্চের কার্যালয়ে প্রায় ১ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
- রবিবার শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেয়ে ধ্রুব রাঠিকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে তিনি দিল্লির যন্তর মন্তরের আশপাশে যেতে পারবেন না।
- ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় ধ্রুব রাঠিসহ প্রায় ৭ হাজার আন্দোলনকারী ও সংগঠনের ৩ প্রধানকে প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট করা হয়েছিল।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপির পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে গুরুগ্রাম থেকে আটক হওয়া জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে রবিবার শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টার দিকে গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এ তাঁর নিজস্ব বাসভবন থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ। এর আগে শুক্রবার রাত থেকেই তাঁর বাড়ির বাইরে অন্তত ৫০ জন পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। আটকের পর তাঁকে ক্রাইম ব্রাঞ্চের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ধ্রুব রাঠি ছাড়াও সিজেপির প্রায় ৭ হাজার আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছিল। রবিবার সকালে তাঁকে মুক্তি দিলেও বেশ কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তিনি দিল্লির যন্তরমন্তর বা তার আশপাশের এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন না। অন্যথায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে তাঁর নাগরিকত্ব এবং ভারতে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আইনগত বৈধতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
ধ্রুব রাঠির পাশাপাশি মুক্তি পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ, সৌরভ ও আশুতোষ। তাঁদের 'প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট' করে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং পরবর্তীতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে রবিবার সকালে তাঁদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে সিজেপির পক্ষ থেকে পুনরায় 'যন্তরমন্তর চলো'র ডাক দেওয়ায় রাজধানী জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
রবিবার নতুন করে আন্দোলনের ডাক দেওয়ার ফলে যন্তরমন্তরমুখী রাস্তাগুলোতে ব্যারিকেড বসিয়েছে দিল্লি পুলিশ এবং ব্যাপক পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে মেট্রো স্টেশন ও রেল পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা হলেও প্রতিটি স্টেশনে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।