৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থায় ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার। রবিবার জার্মানির বার্লিনে এক মন্ত্রী পর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, মা ও নবজাতকের নিরাপদ সেবা নিশ্চিত করতে দেশের ৬২টি মিডওয়াইফারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো আধুনিকায়ন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা হচ্ছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- সরকার আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের সরকারি ব্যবস্থায় ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে।
- জার্মানির বার্লিনে অনুষ্ঠিত 'মিডওয়াইফারি ত্বরান্বিতকরণ ও নিরাপত্তায় দক্ষিণ-দক্ষিণ অংশীদারত্ব' শীর্ষক মন্ত্রী পর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
- মাতৃ ও প্রজনন সেবার মানোন্নয়নে দেশের ৬২টি মিডওয়াইফারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো আধুনিকায়ন এবং নেপাল ও পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের সরকারি ব্যবস্থায় ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে সরকার। রবিবার (১১ অক্টোবর) জার্মানির বার্লিনে ‘মিডওয়াইফারি ত্বরান্বিতকরণ ও নিরাপত্তায় দক্ষিণ-দক্ষিণ অংশীদারত্ব : সংকট থেকে সহনশীলতার পথে’ শীর্ষক মন্ত্রী পর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিটি মা ও নবজাতকের জন্য নিরাপদ ও জীবনরক্ষাকারী সেবা নিশ্চিত করতে মিডওয়াইফদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
মন্ত্রী জানান, মিডওয়াইফদের পেছনে করা বিনিয়োগকে কোনো অবস্থাতেই নিছক ব্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে না, বরং এটি মা ও নবজাতকের মৃত্যুহার হ্রাসের একটি কার্যকর জাতীয় বিনিয়োগ। মিডওয়াইফারি শিক্ষার মান বিশ্বমানের করতে বর্তমানে দেশের ৬২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ এবং সিমুলেশনভিত্তিক নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা চালুর ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
কর্মসংকট মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ বর্তমানে নেপাল ও পাকিস্তানের সঙ্গে জ্ঞান বিনিময়, শিক্ষক বিনিময় এবং যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি জোরদার করেছে। এ ছাড়াও কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা প্রদান এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতেও মিডওয়াইফরা সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে জীবনরক্ষাকারী মাতৃসেবা অব্যাহত রেখেছেন বলে তিনি প্রশংসা করেন।
এই উদ্যোগের ফলে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে প্রসূতি ও নবজাতক মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন। জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) মতো উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তায় দেশের নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মিডওয়াইফদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যখাতে টেকসই উন্নয়ন অর্জনে সরকারের এই প্রতিশ্রুতি দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।