লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

দিল্লিতে বিক্ষোভ: মমতা, অভিজিৎ দীপকে সহ আটক হাজারেরও বেশি

প্রতিবেদক / উৎস: বিবিসি বাংলা | তারিখ: 10 অক্টোবর 2026, 09:05 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 69 বার পঠিত
দিল্লিতে বিক্ষোভ: মমতা, অভিজিৎ দীপকে সহ আটক হাজারেরও বেশি
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ককরোচ জনতা পার্টি ও বামপন্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শনিবার নয়াদিল্লিতে হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ। যন্তর মন্তর এলাকায় ১৪৪ ধারা ও কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার পাশাপাশি বিমানবন্দর ও বাড়ি থেকে আটক করা হয় শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, ইউটিউবার ও আইনজীবীদের। মধ্য দিল্লিতে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবাও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শনের সময় ককরোচ জনতা পার্টির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে বিমানবন্দর থেকেই আটক করে পুলিশ।
  • বিক্ষোভে অংশ নিতে আসার পথে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী, বামপন্থী ছাত্র নেত্রী নেহা বোরা এবং ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকেও আটক বা গৃহবন্দী করা হয়।
  • দিল্লি পুলিশ মধ্য দিল্লির চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় এবং আন্দোলনকারীদের ছত্রসাল স্টেডিয়ামসহ অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ককরোচ জনতা পার্টি ও বামপন্থী দলগুলোর পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকে উত্তাল হয়ে ওঠে নয়াদিল্লি। নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের প্রতিবাদে যন্তর মন্তরে আয়োজিত এই বিক্ষোভে অংশ নিতে আসা অন্তত হাজার খানেক রাজনৈতিক কর্মী ও আন্দোলনকারীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। রাজধানীজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যন্তর মন্তর এলাকাকে কার্যত দুর্গে পরিণত করা হয় এবং চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় দিল্লি পুলিশ চরম দমনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। ককরোচ জনতা পার্টির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে বিমান দিল্লিতে অবতরণের পরপরই বিমান্ডের ভেতর থেকে আটক করা হয়। পাশাপাশি, ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে তার বাড়ি থেকে এবং বামপন্থী ছাত্র নেত্রী নেহা বোরাকে দিল্লি হাট এলাকা থেকে হেফাজতে নেওয়া হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী এবং বেশ কয়েকজন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীকেও পুলিশি আটকের মুখে পড়তে হয়েছে।

সিপিআই(এম) সংসদ সদস্য জন ব্রিটাসের অভিযোগ, প্রতিবাদী রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্যদের দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে প্রথমে বিভিন্ন সড়কে ঘুরিয়ে ছত্রসাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরবর্তীতে অজ্ঞাত স্থানে স্থানান্তরিত করা হয়। মধ্য দিল্লির রিগাল হোটেল এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনাও ঘটে। অনেক জায়গায় সাধারণ দোকানপাট বন্ধ রাখা হয় এবং সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদেরও পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দিয়ে আটক করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী দলগুলোর গণতান্ত্রিক অধিকার ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ প্রদর্শনের ওপর এই ধরনের কঠোর প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এবং এর বিপরীতে প্রশাসনের এমন নজিরবিহীন দমনপীড়ন ভারতের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক কাঠামোর ভবিষ্যৎ এবং নাগরিক স্বাধীনতার সুরক্ষা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার বিবিসি বাংলা-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ