৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ইন্ডিয়া জোটের মিছিলকে কেন্দ্র করে ৪টি এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে এই মিছিলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা, ব্যারিকেড ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি, সমাজমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে প্রায় ৫০০টি পোস্ট সরানোর জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের মিছিলকে কেন্দ্র করে তিলক মার্গ থানায় দুটি এবং মন্দির মার্গ ও বারাখাম্বা রোড থানায় একটি করে মোট চারটি এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ।
- মিছিলটি বারাখাম্বা রোড থেকে সুপ্রিম কোর্টের দিকে অগ্রসর হয় এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানায়।
- সমাজমাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর ও ভুয়ো তথ্যের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করে প্রায় ৫০০টি অনলাইন পোস্ট ও বিষয়বস্তু সরিয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধী জোট 'ইন্ডিয়া'-র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লি। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বারাখাম্বা রোড থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত আয়োজিত ওই মিছিলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা, ব্যারিকেড ভাঙা এবং রাস্তাঘাট নোংরা করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মোট চারটি এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ।
ঘটনার দিন নয়াদিল্লি ও আশপাশের এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা বলবৎ ছিল এবং ১০ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও বিরোধীদের বিশাল জমায়েত ভগবান দাস রোডে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ব্যারিকেড ও সরকারি গাড়ির ওপর চড়ে স্লোগান দেয়। নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং এসআইআর প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।
তদন্তে নেমে দিল্লি পুলিশ দেখতে পায় যে, এই আন্দোলনকে ঘিরে সমাজমাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে ভুয়ো এবং উসকানিমূলক তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, শতধিক সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টের মধ্যে কিছু অ্যাকাউন্ট পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হচ্ছে এবং পুরনো দাঙ্গা বা হিংসার ভিডিও এডিট করে দিল্লির বর্তমান পরিস্থিতি বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়ানো এসব বিভ্রান্তিকর প্রচার দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এই সাইবার অপরাধ ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা হিসেবে প্রায় ৫০০টি আপত্তিকর পোস্ট ও অনলাইন বিষয়বস্তু অবিলম্বে অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সাইবার স্পেসে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর উৎসের সন্ধানে পুলিশি তদন্ত বর্তমানে জোরেশোরে চলছে, যার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Hindustan Times-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।