ডিসেম্বরের হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ: আসিফ মাহমুদ
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তৈরি রাজনৈতিক 'ন্যারেটিভ' সেপ্টেম্বরেই ভেস্তে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার সামাজিক মাধ্যমে তিনি বলেন, ৫ আগস্ট নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলে হেলিকপ্টারে পালিয়ে যাওয়ার ইতিহাস স্মরণে থাকায় পলাতক নেতারা আর তার ডাকে সাড়া দেবেন না।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- শেখ হাসিনার আগামী ডিসেম্বরের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক হাইপ ও ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ হয়েছে বলে দাবি করেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
- ভারতীয় সংবাদমাধ্যম 'দ্য ওয়াল'-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা দলীয় সমর্থকদের নিয়ে দেশে ফেরার প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করার পর এই রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া আসে।
- আসিফ মাহমুদ উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সাধারণ নেতাকর্মীদের ফেলে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের তিক্ত বাস্তবতা পলাতক নেতারা ভোলেননি।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণাকে ভিত্তিহীন রাজনৈতিক ‘হাইপ’ আখ্যা দিয়ে তা সেপ্টেম্বরেই শেষ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের এই ধরনের রাজনৈতিক বার্তা মাঠপর্যায়ে কোনো প্রভাব ফেলবে না।
সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা দেশে-বিদেশে থাকা নেতাকর্মীদের নিয়ে দেশে ফেরার ইচ্ছা ও প্রস্তুতির কথা প্রকাশ করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর এটিই ছিল তাঁর দেশে ফেরা সংক্রান্ত অন্যতম আলোচিত বক্তব্য। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, কাউকে ঝুঁকি নেওয়ার আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা না দিলেও সমর্থকরা তাঁর সঙ্গে ফিরতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এই বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ৫ আগস্টের চরম রাজনৈতিক সংকটে দলীয় নেতাকর্মীদের জীবনের ঝুঁকিতে ফেলে কীভাবে শেখ হাসিনা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে দেশত্যাগ করেছিলেন, তা আত্মগোপনে থাকা নেতাদের স্মৃতিতে স্পষ্ট রয়েছে। ফলে নির্দেশ দিলেও প্রাণভয়ে পালিয়ে থাকা নিষিদ্ধ লীগের কোনো নেতাকর্মীই আর দেশে ফেরার ঝুঁকি নেবেন না।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের তৃণমূল ও মধ্যম সারির নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখতে এমন প্রত্যাবর্তনের বার্তা দেওয়া হলেও বর্তমান বাস্তবতায় তা কেবল কথার কথাই রয়ে গেছে। ছাত্র-জনতার বিপ্লব পরবর্তী রাজনৈতিক অঙ্গনে পলাতক নেতৃত্বের প্রতি সাধারণ সমর্থকদের তীব্র আস্থাহীনতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার চ্যানেল এস-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।