৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ভারতের সম্ভাব্য ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে অভিনব ও অদ্ভুত কৌশল গ্রহণ করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। দেশটির সামরিক বাহিনী ও পুলিশ ফাঁড়িগুলোর ছাদ এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে মাছ ধরার জাল টানানো হয়েছে। কম খরচে আকাশপথে উড্ডয়নকারী ড্রোন বা কোয়াডকপ্টারের গতি রোধ এবং বিস্ফোরক ফেলা প্রতিহত করতেই এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাদের গুরুত্বপূর্ণ সেনাছাউনি, সামরিক স্থাপনা এবং পুলিশ ফাঁড়িগুলোর সুরক্ষায় অভিনব এই মাছ ধরার জালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
- আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির কম খরচে আকাশ থেকে চালানো হামলা এবং নজরদারি প্রতিহত করতেই মূলত এই সাশ্রয়ী কৌশল বেছে নিয়েছে পাক সামরিক কর্তৃপক্ষ।
- সীমান্তবর্তী এলাকায় গোয়েন্দা ড্রোন ও আত্মঘাতী কোয়াডকপ্টারের ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলায় প্রথাগত প্রযুক্তির পরিবর্তে এই অপ্রচলিত পদ্ধতি ব্যবহারের ছবি ইতোমধ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
আধুনিক যুদ্ধকৌশলে ড্রোনের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার ঠেকাতে সম্পূর্ণ অপ্রচলিত ও অদ্ভুত এক পদ্ধতি বেছে নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির সামরিক বাহিনী ও বিভিন্ন পুলিশ ফাঁড়ির ছাদ বা উন্মুক্ত অংশগুলো মাছ ধরার জাল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এই তৎপরতার ছবি ও তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পর আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা মহলে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। মূলত কম খরচে আকাশপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে আধুনিক ড্রোন বা কোয়াডকপ্টার ব্যবহার করে সীমান্ত পেরিয়ে নজরদারি কিংবা বিস্ফোরক ফেলার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যয়বহুল জ্যামার বা অত্যাধুনিক অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম ক্রয়ের ক্ষেত্রে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই সাশ্রয়ী বিকল্প বেছে নিয়েছে। মাছ ধরার জাল ওপরে টানানো থাকলে ছোট আকৃতির ড্রোনগুলো জালের ফাঁকে আটকে যায় অথবা বিস্ফোরক ফেলার ক্ষেত্রে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়, যা সাময়িকভাবে হলেও স্থাপনাগুলোকে সুরক্ষা দিতে পারে।
তবে সামরিক বিশেষজ্ঞরা এই কৌশলের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, প্রথাগত মাছ ধরার জাল দিয়ে আধুনিক সেন্সরযুক্ত ও স্বয়ংক্রিয় সামরিক ড্রোন কিংবা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম কামিকাজে ড্রোন ঠেকানো প্রায় অসম্ভব। এ ধরনের পাতলা জাল কেবল অতি ক্ষুদ্র ও বাণিজ্যিক ড্রোনগুলোর গতি কিছুটা শ্লথ করতে পারে, কিন্তু বড় কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা বিস্ফোরকবাহী ড্রোন প্রতিহত করার ক্ষেত্রে এটি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হতে পারে।
সামগ্রিকভাবে, এই ঘটনা আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোনের অপ্রতিরোধ্য আধিপত্য এবং তা মোকবিলায় প্রচলিত সামরিক শক্তির বাইরে গিয়ে সাধারণ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতার চিত্র ফুটিয়ে তোলে। পাকিস্তানের এই ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ একদিকে যেমন তাদের সামরিক প্রস্তুতির সীমাবদ্ধতাকে প্রকাশ করছে, অন্যদিকে ভবিষ্যতের আকাশযুদ্ধ মোকাবিলায় সাশ্রয়ী সুরক্ষার নতুন ধারণারও জন্ম দিচ্ছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।