৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"মহালয়া ও শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ১১ থেকে ১৩ অক্টোবর আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকলেও ১৪ অক্টোবর চতুর্থী থেকে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া এবং মেদিনীপুরে হালকা থেকে মাঝারি বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে এই বৃষ্টি হতে পারে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ১১ থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় মূলত শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে এবং বৃষ্টির কোনো আশঙ্কা নেই।
- চতুর্থী অর্থাৎ ১৪ অক্টোবর থেকে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
- আবহাওয়া কেন্দ্রের অধিকর্তা হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, থাইল্যান্ড উপসাগর ও আন্দামান সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণাবর্তের ফলে নিম্নচাপের সৃষ্টি হলেও পশ্চিমবঙ্গে এর সরাসরি বা বড় কোনো মারাত্মক প্রভাব পড়বে না।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা তথা মহালয়ার প্রাক্কালে রাজ্যবাসীর মনে দোলা দিচ্ছে পুজোর আবহাওয়া। বর্ষা বিদায়ের পালা শুরু হলেও বৃষ্টির হাত থেকে এখনই সম্পূর্ণ মুক্তি মিলছে না বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। গত কয়েকদিনের দফায় দফায় বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণের পর শারদীয় দুর্গোৎসবের দিনগুলোতে কেমন আবহাওয়া থাকবে, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। আবহাওয়া অফিসের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, পুজোর দিনগুলোতে দফায় দফায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উপকূলীয় ও সংলগ্ন জেলাগুলোতে।
আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গেছে, মহালয়া এবং পরবর্তী ১১ থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত আবহাওয়া মূলত শুষ্ক ও অনুকূল থাকবে। এই সময়ে প্রতিপদ থেকে তৃতীয়া পর্যন্ত বৃষ্টির তেমন কোনো আশঙ্কা নেই বললেই চলে। তবে আগামী ১৪ অক্টোবর অর্থাৎ চতুর্থীর দিন থেকে আবহাওয়ায় কিছুটা পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। ওই দিন উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও অবশ্য বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে দক্ষিণবঙ্গের বাকি অংশে আবহাওয়া মূলত শুষ্ক ও পরিষ্কার থাকবে।
পরিস্থিতি নিয়ে আলিপুর আবহাওয়া কেন্দ্রের অধিকর্তা হাবিবুর রহমান বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে জানান, থাইল্যান্ড উপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে যা পরবর্তীতে আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে গিয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এই নিম্নচাপটি মূলত উত্তর তামিলনাড়ু ও দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে সরে যাওয়ার কথা রয়েছে। ফলে পশ্চিমবঙ্গে এর কোনো বড় বা সরাসরি মারাত্মক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। সাধারণ মানুষকে নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
১৫ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলোতে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও উৎসবের আনন্দ মাটি হওয়ার আশঙ্কা কম। বিশেষ করে ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত আকাশ মূলত পরিষ্কার ও অনুকূল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই পুজোয় আবহাওয়া নিয়ে আগাম সতর্কতা ও সঠিক তথ্য পাওয়ায় সাধারণ মানুষ ও পুজো উদ্যোক্তারা নিজেদের প্রস্তুতি আগে থেকেই গুছিয়ে নিতে পারছেন, যা উৎসবের দিনগুলোতে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।