৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ বাড়াতে ঢাকা-রোম রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইতালি সরকার। বুধবার সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। নতুন উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হওয়ার পর ফ্লাইট বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বিমান চলাচল বাড়াতে ঢাকা-রোম রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে ইতালি সরকার, বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এই রুটে সপ্তাহে ছয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
- বুধবার সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো ও ডেপুটি হেড অব মিশন ফেদেরিকো জাম্পারেল্লি।
- বৈঠকে এভিয়েশন খাতে ইতালীয় বিনিয়োগ, উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতকেন্দ্র (এমআরও) স্থাপন এবং কক্সবাজার বিমানবন্দরে বিশেষ 'রেড জোন' গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করতে ঢাকা-রোম রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইতালি সরকার। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো এবং দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ফেদেরিকো জাম্পারেল্লি। বৈঠকে দুই দেশের বিমান চলাচল সম্প্রসারণ, এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগ এবং পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ঢাকা-রোম রুটে সপ্তাহে ছয়টি নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশির যাতায়াত সহজ করার বিষয়টি মাথায় রেখে এই রুটে ফ্লাইটের পরিসর বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় ইতালি। তবে মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, দেশের এভিয়েশন খাতের বর্তমান সক্ষমতা এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার পরই কেবল ফ্লাইট বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
সাক্ষাতে বাংলাদেশের উদীয়মান এভিয়েশন খাতে ইতালীয় বিনিয়োগ আকর্ষণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এর মধ্যে উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল বা এমআরও সুবিধা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ইতালির শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান এজ কোম্পানি, আতিতেক এসপিএ এবং গিলারদোনির অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর প্রস্তাব উঠে আসে। এছাড়া, কক্সবাজার বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক মানোন্নয়ন, বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ‘রেড জোন’ গঠন এবং দুই দেশের পর্যটন বিনিময় বাড়াতে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়।
এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক বাংলাদেশ ও ইতালির দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দেশের এভিয়েশন ও পর্যটন খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগের পথ উন্মুক্ত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। দুই দেশের পারস্পরিক এই সহযোগিতার ফলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভ্রমণ আরও সহজ হওয়ার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও নতুন মাত্রা যোগ হবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।