এবার ১০ এয়ারবাস কেনার ঘোষণা এল
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস থেকে ১০টি আধুনিক উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং আগামী অক্টোবরে এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থার বহরের পরিধি ও যাত্রীসেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস থেকে মোট ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
- আগামী বছরের অক্টোবর মাসের মধ্যেই এয়ারবাস কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিমানমন্ত্রী।
- বর্তমান সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ৯ বছরের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে মোট ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থার বহর আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সক্ষমতা বাড়াতে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস থেকে ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর বর্তমানে এ বিষয়ে এয়ারবাস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা ও দরকষাকষি চলছে। আগামী অক্টোবর মাসেই এই ১০টি উড়োজাহাজ ক্রয়ের বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিমান ও পর্যটন খাতের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈশ্বিক এভিয়েশন মার্কেটের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং যাত্রীদের আধুনিক ও নিরাপদ সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে কেবল এয়ারবাস নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় আগামী ৯ বছরের মধ্যে বিমান বহরে আরও ২৫টি অত্যাধুনিক বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত করার বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের আকাশপথের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে এই দুই বড় উড়োজাহাজ সংগ্রহের কার্যক্রম সমান্তরালভাবে এগিয়ে চলেছে।
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে লাভজনক নতুন আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনা করা সহজ হবে এবং বর্তমান রুটগুলোতে ফ্লাইট ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি পাবে। এতে প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি কর্মী ও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের যাতায়াত আরও সুগম হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থার আয় ও বাণিজ্যিক সক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।
সার্বিকভাবে, এয়ারবাস ও বোয়িংয়ের মতো বিশ্বমানের উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এই চুক্তিগুলো বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি দেশের বিমান পরিবহন খাতের দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধি, যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার bdnews24.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।