এবার ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর: জামায়াত আমির
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ক্ষমতার গরমের আঁচ এখন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর পড়েছে। এর আগে শুক্রবার ভোরে প্রায় দুই শতাধিক দুষ্কৃতকারী কেন্দ্রটিতে হামলা চালিয়ে মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ ও নগদ অর্থ লুট করে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- শনিবার সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেন।
- গত শুক্রবার ভোরে মাস্ক পরিহিত প্রায় ২০০ জনের একটি হামলাকারী দল মিরপুর-১ এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে জোরপূর্বক প্রবেশ করে এক্সকাভেটর দিয়ে তিনটি স্থাপনা ভেঙে গুড়িয়ে দেয়।
- হামলাকারীরা চিকিৎসাকেন্দ্রটি থেকে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, টিকা এবং নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যায় বলে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত জনগুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ন্যাক্কারজনক হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার ভোরে সংঘটিত এই হামলায় কেন্দ্রটির তিনটি স্থাপনা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয় এবং চিকিৎসাসামগ্রী লুট করা হয়। এই আকস্মিক ও ধ্বংসাত্মক ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার সকাল ১১টার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হামলাকে 'ক্ষমতার গরমের আঁচ' হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, শুক্রবার ভোরে মাস্ক পরিহিত প্রায় ২০০ জনের একটি দল জোরপূর্বক রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে প্রবেশ করে। হামলাকারীরা একটি এক্সকাভেটরসহ ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে কেন্দ্রের অন্তত তিনটি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভাঙচুরের পাশাপাশি হামলাকারীরা কেন্দ্রটির ভেতরে থাকা মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, টিকা এবং নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যায়। এই ঘটনার পরদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে জামায়াত আমির প্রশ্ন তোলেন, 'কোথায় প্রশাসন, কোথায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী?'
সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একদিকে সরকার জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করছে, অন্যদিকে এই ধরনের অরাজকতা চলছে। এর পেছনে কারা জড়িত তা স্পষ্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুষ্কৃতিকারীদের অবিলম্বে খুঁজে বের করে কঠোর আইনি শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় সাধারণ জনগণই তাদের প্রতিহত করবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। উল্লেখ্য, শুক্রবারের এই বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের কর্মীরা প্রাঙ্গণে একটি মানববন্ধন কর্মসূচিও পালন করেছেন।
স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মতো জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা জনস্বাস্থ্য খাতের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি। মিরপুর এলাকার মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী এই প্রতিষ্ঠানে হামলার ফলে স্থানীয় দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ জরুরি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং এ ধরনের অরাজকতা রোধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সুধী সমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দ্য ডেইলি স্টার বাংলা-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।