এই সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি ও প্রতারণা করছে, লংমার্চে শফিকুর রহমান
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সরকারের দমননীতির প্রতিবাদে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু হয়েছে। লংমার্চে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, সরকার সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করছে; মন্ত্রীদের বাড়িতে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ থাকলেও জনগণ অন্ধকারে নিমজ্জিত। দাবি আদায় না হলে সরকার পতনের একদফা আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে লংমার্চ কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যা বাস্তবায়নে চকরিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে স্বাগত মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
- সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'বিদ্যুৎমন্ত্রীর বাড়িতে আলো থাকলেও সাধারণ মানুষ লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে রয়েছে।'
- জোট নেতা ডা. তাহের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জনস্বার্থের দাবি অবিলম্বে মেনে না নেওয়া হলে এই লংমার্চ সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনে রূপ নেবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি রোধ এবং রাজনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। লংমার্চ চলাকালীন বিভিন্ন পথসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার দেশের জনগণের সাথে চরম ভাঁওতাবাজি ও প্রতারণা করছে। জ্বালানি খাতের লুটপাট ও অব্যবস্থাপনার কারণেই আজ সারা দেশের মানুষকে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
লংমার্চের গাড়ি বহর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলা ও মহাসড়ক প্রদক্ষিণকালে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পথসভায় নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে হাজার হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি ও বাজেট বরাদ্দের পরও সাধারণ মানুষ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাচ্ছে না। অথচ দায়িত্বশীল মন্ত্রী ও সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বাসভবনে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে, যা চরম বৈষম্যমূলক।
সমাবেশে জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা ডা. তাহের সরকারের উদ্দেশ্যে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অবিলম্বে জনগণের মৌলিক দাবিগুলো মেনে নেওয়া না হলে এই লংমার্চ পরবর্তীতে সরকার পতনের একদফা আন্দোলনে রূপ নেবে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের চকরিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলে লংমার্চের সমর্থনে স্বাগত মিছিল ও সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী জোটের এই লংমার্চ মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপ এবং বিদ্যুৎ সংকটে অতিষ্ঠ সাধারণ জনগণের দৃষ্টি এখন এই কর্মসূচির পরবর্তী গতিপথ ও সরকারের প্রতিক্রিয়ার দিকে নিবদ্ধ রয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার prothomalo.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।